খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
জলপাইগুড়ি:-পুলিশের হাতে গ্রেফতার হল পলাতক এবং বহিস্কৃত তৃনমূল নেতা।
হারধান সরকার নামে ওই প্রাক্তন তৃনমূল নেতা লক্ষলক্ষ টাকার জমি প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত।রবিবার গভীর রাতে তাকে গ্রেফতার করে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
জলপাইগুড়ির ঝা বাড়ি এলাকার দুই তৃনমূল নেতা হারাধন সরকার এবং কৃষ্ণ মাতব্বর এর নামে জমি প্রতারণার অভিযোগ ওঠে।জানা যায় অন্য ব্যক্তির একটি জমি বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে ১০থেকে ১২জনের কাছ থেকে তারা লক্ষলক্ষ টাকা নিয়েছে।কিন্তু সেই জমি কেউই হাতে পায়নি।এরপর গত আগস্ট মাসে ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন চারজন প্রতারিত ব্যক্তি।কিন্তু পুলিশ তখন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।অভিযোগ,দলের এক জেলা নেতার ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।তবে গত আগস্ট মাসে "দলীয় তদন্তের" ভিত্তিতে দুই নেতাকে দল থেকে বহিস্কার করেন নবনির্বাচিত তৃনমূল জেলা সভাপতি কৃষ্ণ কুমার কল্যাণী।তারপর থেকেই এই দুই বহিস্কৃত নেতা বেপাত্তা হয়ে যান।সূত্রের খবর, দলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ফেরাতে পুলিশের ওপর চাপ বাড়ছিল।পুলিশ হন্যে হয়ে দুই অভিযুক্তকে খুজছিল।রবিবার রাতে এক অভিযুক্ত হারধন সরকারের গোপন ডেরার খোজ পায় পুলিশ।অভিযান চালিয়ে গভীর রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।সোমবার তাকে জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হয়।যদিও এই গ্রেফতারি নিয়ে পুলিশের তরফে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে সূত্রের খবর, অপর অভিযুক্ত কৃষ্ণ মাতব্বর এর খোজও চলছে।
এদিকে এই ঘটনায় তৃনমূল জেলা সভাপতি কৃষ্ণ কুমার কল্যাণী ফোনে জানিয়েছেন,প্রতারণার অভিযোগ পাওয়ার পর দল তদন্ত করে ওই নেতাকে বহিস্কার করেছে,এখন ওই নেতার সাথে দলের কোনো সংস্রব নেই, পুলিশ নিজের কাজ করেছে।
যদিও বিজেপি নেতৃত্ব পুলিশ এবং তৃনমূল দলের ভূমিকাকে কটাক্ষ করেছে।বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি শ্যামপ্রসাদ জানিয়েছেন,অভিযোগ দায়ের এর প্রায় চারমাস পর ওই নেতা গ্রেফতার হল,এটা পুলিশের গাফিলতি।
আর দল থেকে বহিস্কার আইওয়াশ মাত্র।কারণ জমি মাফিয়াদের নিয়েই তৃনমূল দলটা তৈরী।
হারধান সরকার নামে ওই প্রাক্তন তৃনমূল নেতা লক্ষলক্ষ টাকার জমি প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত।রবিবার গভীর রাতে তাকে গ্রেফতার করে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
জলপাইগুড়ির ঝা বাড়ি এলাকার দুই তৃনমূল নেতা হারাধন সরকার এবং কৃষ্ণ মাতব্বর এর নামে জমি প্রতারণার অভিযোগ ওঠে।জানা যায় অন্য ব্যক্তির একটি জমি বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে ১০থেকে ১২জনের কাছ থেকে তারা লক্ষলক্ষ টাকা নিয়েছে।কিন্তু সেই জমি কেউই হাতে পায়নি।এরপর গত আগস্ট মাসে ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন চারজন প্রতারিত ব্যক্তি।কিন্তু পুলিশ তখন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।অভিযোগ,দলের এক জেলা নেতার ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।তবে গত আগস্ট মাসে "দলীয় তদন্তের" ভিত্তিতে দুই নেতাকে দল থেকে বহিস্কার করেন নবনির্বাচিত তৃনমূল জেলা সভাপতি কৃষ্ণ কুমার কল্যাণী।তারপর থেকেই এই দুই বহিস্কৃত নেতা বেপাত্তা হয়ে যান।সূত্রের খবর, দলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ফেরাতে পুলিশের ওপর চাপ বাড়ছিল।পুলিশ হন্যে হয়ে দুই অভিযুক্তকে খুজছিল।রবিবার রাতে এক অভিযুক্ত হারধন সরকারের গোপন ডেরার খোজ পায় পুলিশ।অভিযান চালিয়ে গভীর রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।সোমবার তাকে জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হয়।যদিও এই গ্রেফতারি নিয়ে পুলিশের তরফে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে সূত্রের খবর, অপর অভিযুক্ত কৃষ্ণ মাতব্বর এর খোজও চলছে।
এদিকে এই ঘটনায় তৃনমূল জেলা সভাপতি কৃষ্ণ কুমার কল্যাণী ফোনে জানিয়েছেন,প্রতারণার অভিযোগ পাওয়ার পর দল তদন্ত করে ওই নেতাকে বহিস্কার করেছে,এখন ওই নেতার সাথে দলের কোনো সংস্রব নেই, পুলিশ নিজের কাজ করেছে।
যদিও বিজেপি নেতৃত্ব পুলিশ এবং তৃনমূল দলের ভূমিকাকে কটাক্ষ করেছে।বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি শ্যামপ্রসাদ জানিয়েছেন,অভিযোগ দায়ের এর প্রায় চারমাস পর ওই নেতা গ্রেফতার হল,এটা পুলিশের গাফিলতি।
আর দল থেকে বহিস্কার আইওয়াশ মাত্র।কারণ জমি মাফিয়াদের নিয়েই তৃনমূল দলটা তৈরী।