খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
তিতাস পাল, জলপাইগুড়ি:-
বিস্কুটের বাক্সে লুকিয়ে বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী
বিদেশে পাচারের ছক কষেছিল পাচারচক্রের পাণ্ডারা।তার আগেই অভিযান চালিয়ে সেই ছক ভেস্তে দিল বনদফতরের স্পেশাল টাস্কফোর্স। উদ্ধার করল একটি প্যাঙ্গোলিন( বনরুই)। ঘটনায় পাচারকারী সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে পাঁচজন ভুটানি নাগরিককে।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার রাতে জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় অভিযান চালিয়ে একটি ভুটানি নাম্বার প্লেট লাগানো গাড়ি আটক করে স্পেশাল টাস্কফোর্স। সেই গাড়িতে একটি বড়সড় বিস্কুটের প্যাকেটের মধ্যে রাখা ছিল জ্যান্ত প্যাঙ্গোলিনটি।গাড়িতে থাকা পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে বেলাকোবা রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসা হয়।সেখানে রাতভর তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন বনাধিকারিকরা।জেরায় তারা জানতে পেরেছেন, ধৃতরা সকলেই ভুটানের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির এই প্যাঙ্গোলিনটি ছয়লক্ষ টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশে পাচারের ছক ছিল তাদের।টাস্ক ফোর্সের প্রধান সঞ্জয় দত্ত জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত ধৃতরা।বৃহস্পতিবার পাঁচজনকে জলপাইগুড়ি মুখ্য বিচার বিভাগীয় আদালতে তোলা হয়। আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাদের মধ্যে দুজনকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আবেদন জানায় বনদপ্তর। বিচারক সাতদিনের হেফাজত মঞ্জুর করেন। অন্য তিনজনকে ১৪দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিস্কুটের বাক্সে লুকিয়ে বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী
বিদেশে পাচারের ছক কষেছিল পাচারচক্রের পাণ্ডারা।তার আগেই অভিযান চালিয়ে সেই ছক ভেস্তে দিল বনদফতরের স্পেশাল টাস্কফোর্স। উদ্ধার করল একটি প্যাঙ্গোলিন( বনরুই)। ঘটনায় পাচারকারী সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে পাঁচজন ভুটানি নাগরিককে।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার রাতে জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় অভিযান চালিয়ে একটি ভুটানি নাম্বার প্লেট লাগানো গাড়ি আটক করে স্পেশাল টাস্কফোর্স। সেই গাড়িতে একটি বড়সড় বিস্কুটের প্যাকেটের মধ্যে রাখা ছিল জ্যান্ত প্যাঙ্গোলিনটি।গাড়িতে থাকা পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে বেলাকোবা রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসা হয়।সেখানে রাতভর তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন বনাধিকারিকরা।জেরায় তারা জানতে পেরেছেন, ধৃতরা সকলেই ভুটানের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির এই প্যাঙ্গোলিনটি ছয়লক্ষ টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশে পাচারের ছক ছিল তাদের।টাস্ক ফোর্সের প্রধান সঞ্জয় দত্ত জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত ধৃতরা।বৃহস্পতিবার পাঁচজনকে জলপাইগুড়ি মুখ্য বিচার বিভাগীয় আদালতে তোলা হয়। আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাদের মধ্যে দুজনকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আবেদন জানায় বনদপ্তর। বিচারক সাতদিনের হেফাজত মঞ্জুর করেন। অন্য তিনজনকে ১৪দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।
