যত সিট, তত প্যাসেঞ্জার, বাস পরিষেবার নতুন বিধি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

Saturday, May 30, 2020
..
🎙️
খবরটি শুনুন অডিও সংস্করণ
২০ জন নয়। এবার থেকে যতগুলি সিট রয়েছে ততজন প্যাসেঞ্জার নিয়ে চলবে বাস। শুক্রবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, কাউকে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না। সরকারি-বেসরকারি সব বাসের ক্ষেত্রেই ওই বিধি কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি। যদিও ভাড়া কাঠামো নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত না হওয়ায় রাস্তায় নামেনি বেসরকারি বাস। চতুর্থ দফার লকডাউনে সরকারি বাস পরিষেবা শুরুর কথা ঘোষণা করেছিল রাজ্য। বলা হয়েছিল, সামজিক দূরত্বের বিধি মানতে ২০ জনের বেশি যাত্রী তোলা যাবে না। সেইসঙ্গে এও বলা হয়েছিল, কন্টেইনমেন্ট জোনে বাস যেতে পারবে না। তবে এদিন কন্টেইনমেন্ট জোনে বাস চলা না চলার ব্যাপারে কিছু স্পষ্ট করেননি মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, “যত সিট তত প্যাসেঞ্জার নিয়ে বাস চলবে। আগে ২০ জন বলা হয়েছিল। সেটা একটু বাড়িয়ে দেওয়া হল। তবে কাউকে কিন্তু দাঁড়াতে দেওয়া হবে না।” সেই সঙ্গে তিনি জানান, বাসে ওঠার আগে যাত্রীদের বাধ্যতামূলক ভাবে মুখে মাস্ক ও হাতে গ্লাভস পরতে হবে। অনেক জায়গায় যাত্রীরা বেশি লোক তোলার জন্য কন্ডাক্টরদের উপর চাপ দিচ্ছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আবেদন করে মমতা বলেন, “কেউ কন্ডাক্টরদের বেশি লোক তুলতে জোর করবেন না। ওঁরা যেটা করছেন আপনাদের ভালর জন্যই করছেন।” সন্দেহ নেই, ২০ জন যাত্রী নিয়ে বাস চালাতে সরকারের অনেক টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। তা ছাড়া বেসরকারি বাস মালিকরা ভাড়া কাঠামোর যে প্রস্তাব দিয়েছেন তাও সরকারের পক্ষে মানা সম্ভব নয় বলে অনেকের মত।

জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেট গতকাল, বৃহস্পতিবার পরিবহণ দফতরকে প্রস্তাব দিয়েছে, বাসে উঠলেই যাত্রীদের দিতে হবে ১৪ টাকা। দু’কিলোমিটারের পর থেকে প্রতি কিলোমিটারে অতিরিক্ত পাঁচ টাকা করে লাগবে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাড়া বাড়ানোর ব্যাপারে গড় রাজি মুখ্যমন্ত্রী ও পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনেকের মতে, সে সব ভেবেই হয়তো যত সিট-তত প্যাসেঞ্জারের সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। যদিও এ নিয়ে অনেকেই রাজ্যের সমালোচনা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, বাসের সিটে পাশাপাশি বসলে সামজিক দূরত্ব বলে কিছু থাকবে না। বিজেপি নেত্রী তথা হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী যা সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তাতে এটা স্পষ্ট উনি পশ্চিমবঙ্গকে করোনাবঙ্গ করতে চাইছেন। মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে রাজ্য সরকার।  সূত্রঃ thewall


×

Processing Your Link...

--

Please wait while we secure your destination.

Admin Access

Link Generator