খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
পথের ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে পড়েছে ছোট্ট ছেলে। কোনও রকমে স্যুটকেসের উপরেই ঘুমোচ্ছে সে। আর সেই স্যুটকেস দড়ি দিয়ে বেঁধে টানতে টানতে হাঁটছেন মা। পঞ্জাবে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন তিনি। ফিরছেন উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসিতে। ৮০০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটেই ফিরছে পরিযায়ী শ্রমিকের দল। সম্প্রতি সামনে এসেছে এমন ছবি। ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের আগ্রা জেলায়। যে ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে রাস্তার উপর দিয়ে হাঁটছেন এক দল শ্রমিক। পুরুষ, মহিলা, বাচ্চা সবাই রয়েছেন। আর সেখানেই একটি স্যুটকেস আঁকড়ে কোনও রকমে তার উপর ঘুমিয়ে পড়েছে একটি ছোট্ট ছেলে।
Fellow journos @arvindcTOI and Naseem have shared this video and info on this video shot in west UP’s Agra , where this exhausted child latches on to a suitcase dragged by his mother - the family was walking between Punjab and Jhansi in UP . @OfficeOfDMAgra where are the buses ? pic.twitter.com/7ck4lWaECf— Alok Pandey (@alok_pandey) May 14, 2020
সেই স্যুটকেস টেনে নিয়ে যাচ্ছেন মা। স্যুটকেস ও বাচ্চার ওজন টানতে গিয়েও কিন্তু হাঁটার গতি কমেনি তাঁর। বরং তা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। আর হাঁটতে হাঁটতেই সংবাদমাধ্যমকে জানালেন পঞ্জাব থেকে ঝাঁসি যাচ্ছেন তাঁরা। ৮০০ কিলোমিটার দূরত্ব পায়ে হেঁটেই পাড়ি দিয়েছেন। কোনও বাসের দেখা পাননি। তার বেশি কথা বলতে পারেননি ওই মহিলা। এই ছবিটাই হয়তো পরিষ্কার করে দিচ্ছে ভারতে করোনা সংক্রমণ ও লকডাউনের ফলে পরিযায়ী শ্রমিকদের অবস্থাটা। যেখানে কাজ করতেন, সব জায়গায় কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। হাতের টাকা শেষ। থাকার জায়গা নেই। খাবার মিললেও তা পর্যাপ্ত নয়। আর তাই নিজের রাজ্যে ফেরা। কখনও দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার তো কখনও ২০০০ কিলোমিটার। কেউ কোনও রকমে সাইকেলে ফেরার ব্যবস্থা করেছেন। কেউ অন্য উপায়ে ফেরার চেষ্টা করছেন। আর যাঁদের কোনও উপায় নেই, তাঁরা পায়ে হেঁটেই পেরিয়ে যাচ্ছেন একের পর এক রাজ্য। এক রাশ ক্লান্তিকে জয় করে হাঁটছেন শুধু ঘরে ফিরে একটু আশ্রয় আর খাবারের আশায়।
কেন্দ্রের তরফে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ট্রেনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। অনেক রাজ্য সরকার বাসের ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু শ্রমিকদের অনেকের অভিযোগ, কাগজপত্র দেখিয়ে ট্রেন বা বাসের জন্য অপেক্ষা করতে অনেক সময় লাগছে। কেউ আবার ভাড়ার ভয় পাচ্ছেন। যদিও কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, শ্রমিকদের কাছে কোনও ভাড়া নেওয়া হবে না। তবুও তাঁরা পায়ে হেঁটেই রওনা দিচ্ছেন। পথেই জীবনের মূল্য চোকাতে হয়েছে অনেককে। কেউ অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছেন। আবার অনেকে ট্রেন বা ট্রাকের ধাক্কায়। ঘরে ফেরা হয়নি তাঁদের। কিন্তু তাতে পথ চলা থামেনি। শেষ সম্বলটুকু নিয়ে হেঁটে চলেছেন এই শ্রমিকরা। বাড়ির উদ্দেশে।
সূত্রঃ thewall
কেন্দ্রের তরফে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ট্রেনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। অনেক রাজ্য সরকার বাসের ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু শ্রমিকদের অনেকের অভিযোগ, কাগজপত্র দেখিয়ে ট্রেন বা বাসের জন্য অপেক্ষা করতে অনেক সময় লাগছে। কেউ আবার ভাড়ার ভয় পাচ্ছেন। যদিও কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, শ্রমিকদের কাছে কোনও ভাড়া নেওয়া হবে না। তবুও তাঁরা পায়ে হেঁটেই রওনা দিচ্ছেন। পথেই জীবনের মূল্য চোকাতে হয়েছে অনেককে। কেউ অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছেন। আবার অনেকে ট্রেন বা ট্রাকের ধাক্কায়। ঘরে ফেরা হয়নি তাঁদের। কিন্তু তাতে পথ চলা থামেনি। শেষ সম্বলটুকু নিয়ে হেঁটে চলেছেন এই শ্রমিকরা। বাড়ির উদ্দেশে।
সূত্রঃ thewall
