খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম 'মুম্বই মিরর' সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই দেশের সব ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাকে নোটিস দিয়েছে টেলিকমিউনিকেশন মন্ত্রক। মোট তিনটি URL বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারই মধ্যে উইট্রান্সফার সাইটটিকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উইট্রান্সফার ( WeTransfer)। কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত নাম। জনপ্রিয়ও বটে। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বড় মাপের ভিডিও, ছবি-র ফাইল একসঙ্গে মেল করে পাঠানো যায়। সেই জনপ্রিয় ওয়েবসাইটটি এবার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় টেলিকমিউনিকেশন মন্ত্রক। জাতীয় স্বার্থে ও সাধারণের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রক।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘মুম্বই মিরর’ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই দেশের সব ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাকে নোটিস দিয়েছে টেলিকমিউনিকেশন মন্ত্রক। মোট তিনটি URL বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারই মধ্যে উইট্রান্সফার সাইটটিকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঠিক কী কারণে এই ওয়েবাসইট বন্ধ করা হয়েছে তা না জানা গেলেও এটা ঠিক যে, লকডাঊনের মধ্যে যাঁরা বাড়িতে বসে কাজ করছেন তাদের কাছে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াল কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত। কারণ, WeTransfer.com ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক। বড় মাপের ফাইল মেল করার কথা উঠলেই এই নাম সামনে আসে। ২ জিবি পর্যন্ত ফাইল এর মাধ্যমে অনায়াসেই পাঠিয়ে দেওয়া যায় মেল করে। বড় মাপে ভিডিও ফাইল পাঠাতে সমস্যা হয় না। আর তার পদ্ধতিও বেশ সহজ। বিনামূল্যে ব্যবহারের পাশাপাশি এর একটি পেইড ভার্সান রয়েছে। সেটির মাধ্যমে আরও বড় সাইজের (২০ জিবি) ফাইল ট্রান্সফার করা যায়।
ভারতে ওয়েবাসাইট নিষিদ্ধ করা নতুন কিছু নয়। ২০১৯ সালে একসঙ্গে ৪২২টি ওয়েবসাইট নিষিদ্ধ করেছিল কেন্দ্র। সেক্ষেত্রে অবশ্য পর্নোগ্রাফিকে উসকে দেওয়ার অভিযোগই ছিল মূলত। অনেক সময়ে ম্যালওয়্যার অভিযোগে অনেক ওয়েবসাইট নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু WeTransfer.com নিষিদ্ধ করার পিছনে কী কারণ তা বিস্তারিত জানা যায়নি। শুধু এটুকুই বলা হয়েছে যে, জাতীয় স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত।
