খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
ফিরে আসতে পারে ৫৯ টি বাতিল চীনা মোবাইল অ্যাপ। ২২ জুলাই এর পরই বাতিল এর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র। এখনো টিকটক এর মতো বহুল জনপ্রিয় অ্যাপ গুলি ফিরে আসার ক্ষীণ সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছেনা বলে জানা গিয়েছে।
লাদাখ সীমান্তে ভারত-চীন সম্পর্কের অবনতির পরই বাতিল হয়ে গিয়েছিল ৫৯ টি চীনা অ্যাপ। জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থেই, সেই সাথে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে ব্যান করা হয়েছিল এই অ্যাপ গুলো। এর মধ্যে বহুল জনপ্রিয় অ্যাপ টিকটক ছাড়াও ছিল ইন্টারনেট ব্রাউসিং অ্যাপ ইউসি ব্রাউসার, ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ জেন্ডার, শেয়ার ইট ইত্যাদি। নিরাপত্তার স্বার্থে বাতিল করা হলেও এই অ্যাপ গুলি ফিরে আসার ক্ষীন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে এখন বলে জানা যায়।
কেন্দ্রীয় সরকারের ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সমস্ত চীনা অ্যাপ গুলির নিয়ন্ত্রকদের কাছে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রশ্ন জানতে চাওয়া হয়েছে। সমস্ত প্রশ্নই নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানা গিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে কোম্পানী কোন দেশের, ব্যবহারকারীর কোনো তথ্য সেই অ্যাপ সংস্থা অবৈধভাবে ব্যবহার করে কিনা – এসব সহ মোট ৭৯ টি প্রশ্ন।
ইলেকট্রনিক অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে আগামী ২২ জুলাই উত্তর জানানোর শেষ দিন। এই দিনের মধ্যে সমস্ত প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর না পাওয়া গেলে স্থায়ী ভাবে সমস্ত অ্যাপ বাতিল করা হবে বলে জানা যায়।
উল্লেখ্য, অ্যাপ বাতিলের সিদ্ধান্ত চীনা কোম্পানী গুলিকে সঙ্কটের মুখে ফেলেছে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম চীনা কোম্পানী বাইটড্যান্স, যারা টিকটক এর মতো অ্যাপ তৈরী করেছে। জানা গেছে, টিকটক এর বহুল জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির মুখে বাইট ড্যান্স এদেশে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে বলে পরিকল্পনা করেছিল। অ্যাপ বাতিল তাদের এই পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেয়।
ভারত-চীন সম্পর্কের অবনতির পরই চীনা অ্যাপ গুলি যাতে শীঘ্রই বন্ধ করা হয় তাঁর জন্য কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ করে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট। দেশের তথ্যের সুরক্ষার কথা ভেবেই সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এই মুহুর্তে আবার সমস্ত অ্যাপ গুলি ফিরে আসার সম্ভাবনাকে কোনো ভাবেই অগ্রাহ্য করা যাচ্ছেনা।
