খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
করোনা লকডাউনের জেরে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ, তার উপর মাথায় চড়ে বসেছে চড়া বিদ্যুতের বিল। প্রায় অনেকেরই অভিযোগ হঠাৎ করে এত বেশি টাকার বিদ্যুতের বিল কেন আসছে। এই অভিযোগ সামনে আসার পরেই তৎপর হয়েছে রাজ্য সরকার। কি হিসেবে বিদ্যুতের বিল তৈরি হচ্ছে তা জানতে চেয়েছিল রাজ্য। তবে এই বিষয়ে সিইএসসি-এর যা বলছে তাতে সন্তুষ্ট নয় রাজ্য সরকার। বিদ্যুত্মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সিইএসসি নতুন বিল না দিলে পেমেন্ট করার দরকার নেই।
বিদ্যুত্মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, কারও বিদ্যুতের লাইন কাটা হবে না। তিনি বলেন লকডাউনের জেরে আর্থিক সমস্যার মুখে পড়েছেন সকলেই আর অতিরিক্ত এই বিদ্যুতের বিল দেওয়া সত্যিই খুব অসুবিধার। বিদ্যুতের বিল নিয়ে বিদ্যুৎমন্ত্রী এবং সিইএসসির বৈঠক হয়েছে। তবে সেইভাবে সমাধান মেলেনি। তবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন গড় বা গত বছরের জুনের ভিত্তিতে নয়া বিল তৈরি করার কথা তিনি জানিয়েছেন।
তিনি দাবি করেছেন রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সিইএসসিকে যথেষ্ট চাপ দেওয়া হচ্ছে। তবে যাই হোক বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেছেন লকডাউনে মানুষ তিনমাস টানা বাড়িতেই ছিল তাই বিদ্যুতের বিল স্বাভাবিকের থেকে কিছুটা বেশী এসেছে। তিনি আরও বলেন যারা এই সমস্যার মধ্যে আগে বিল মিটিয়ে দিয়েছেন তাঁদের বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করা হবে। সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুতের বিল দিতে দেরি হলেও জরিমানা দিতে হবে না বলেই তিনি উল্লেখ করেছেন।
সিইএসসি-এর দাবি আনলক পর্যায়ের আগে লকডাউন চলাকালীন মিটার রিডিং না নেওয়ার ফলে গড়ে যা বিল পাঠানো হয়েছিল তা অনেক কম ছিল। তাই মিটার রিডিং করার পর সঠিক বিলই পাঠানো হচ্ছে। বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন, “সিইএসসি জানিয়েছে, সোমবারের মধ্যে তারা মানুষকে বিদ্যুতের বিল বেশি হওয়ার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারবে।” সিইএসসি আধিকারিকদের শোভনদেব বলেছিলেন, “মানুষকে জানাতে সরকারের প্রস্তাব মেনে আপনারা সংবাদপত্রে ব্যাখ্যা দিলেও তা পরিষ্কার নয়। মানুষের কাছে পরিষ্কার করে জানান, কী কারণে এত বেশি টাকা বিদ্যুৎ বিল বাবদ মেটাতে হচ্ছে। অঙ্কটা স্পষ্ট করে মানুষের কাছে তুলে ধরুন।”
