খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
লখনউ: আবার ‘অনারকিলিং’-র ঘটনা উত্তরপ্রেদেশে। পরিবারের সম্মান বাঁচাতে খুন করল নিজের বোন এবং তাঁর প্রেমিককে। বোন এবং তাঁর প্রেমিক সম্পর্কে ভাই-বোন। তুতো ভাইয়ের সঙ্গে সম্পর্কের কথা জানতে পেরে দুজনকেই খুন করল দাদা। এই ঘটনায় সম্ভাল জেলার ধানারি থানা এলাকার গাধা গ্রামে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
জানা গিয়েছে, তুতো ভাইয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন বোন। এমনকি ২১ বছরের এই তরুণী বাড়ি থকে পালিয়েছিলেন। পরিবারের সম্মান রক্ষার জন্য দাদা তাঁদের দুজনকেই খুন করেছে। এমনকি তাঁদের দেহ ঝুলিয়ে দিয়ে তাকে আত্মহত্যার রূপ দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়। এমনকি এই গোটা ঘটনাটি আর এক ভাই দেখে ফেলায় তাঁকেও মেরে ফেলা হয়।
সম্ভাব্লের পুলিশ সুপার যমুনা প্রসাদ জানিয়েছেন, পয়লা জুলাই সুখিয়া ও তাঁর তুতো ভাই বান্টির দেহ গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। অভিযুক্ত বিনীত আত্মহত্যার রূপ দিতে চেয়েছিল এই ঘটনাকে। প্রাথমিকভাবে দেখে আত্মহত্যাই মনে করে পুলিশ।
এরপরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তারপর সুখিয়ার আর এক ভাই কুলদীপের দেহ একইভাবে উদ্ধার করা হয় ৭ জুলাই। তারপরেই এই ঘটনায় ধোঁয়াশা ঘনাতে থাকে। পুলিশ তদন্ত করে খোঁজ খবর চালাতে থাকে। অবশেষে তিন সঙ্গি-সহ বিনীতকে গ্রেফতার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে বিনীত জানিয়েছে, পরিবারের সম্মান রক্ষা করতে সে এই কাজ করেছে। কুলদীপ খুনের সাক্ষী হয়ে যাওয়ায় তাঁকেও খুন করে দেন বিনীত। জানা গিয়েছে, বিনীতের বন্ধু জগপাল তার বোন আর তুতো ভাইকে দেখতে পায়। তারপরেই গোটা খুনের পরিকল্পনা করা হয়। এই ঘজটনার তদন্তে নেমে পুলিশ বিনীত, কিশোরী, শোরাজ এবং জগপালকে গ্রেফতার করেছে।
