খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে উঠা শিল্পী রানু মন্ডলকে নিশ্চয় মনে আছে আপনাদের। রানাঘাট স্টেশনে গানের সুবাদে অতীন্দ্র চক্রবর্তী প্রথম মোবাইল বন্দী করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছাড়ার পর থেকে সেলিব্রেটি হয়ে যান রানু মন্ডল! ডাক পায় বিখ্যাত গায়ক হিমেশ রেশমিয়ার কাছ থেকে, এরপর একে একে বিভিন্ন দেশে পরিচিতি বাড়ে তার। সর্বশেষ কুয়েতে গিয়েও সুনামের সাথে রেকর্ডিং শেষ হয়! কিন্তু দীর্ঘ লকডাউনে শেষ হয়ে যায় সবকিছু। রানু মন্ডলের সর্বক্ষণের সাথী অতীন্দ্রকেও লকডাউন এর প্রথম দিকে সংবাদমাধ্যম পেয়েছিলো তার পাশেই। কিন্তু এবারে কোনো অজ্ঞতাবশত কারণেই হয়তো দেখা পাওয়া যায়নি তাঁর। তবে অতীন্দ্র বাবুর এ বিষয়ে অনাগ্রহ , এবং রানু মন্ডলের প্রসঙ্গ এড়িয়ে যাওয়া শুনে মনে হয়েছে তাদের মধ্যে সম্পর্ক দূরত্ব বেড়েছে অনেকটাই। তবে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খায় সকলের মনেই! সেলিব্রেটি হওয়া মানে বেশকিছু মোটা অঙ্কের অর্থ উপার্জন! সেটা কি আদৌ আছে রানু মন্ডলের এর কাছে? যদি থাকতই তাহলে কি আবার রানাঘাট স্টেশনে বা পথপ্রান্তে গান গাইতে দেখা যেত রানু মন্ডল কে! প্রশ্ন চিহ্ন থেকেই গেছে সদুত্তর মেলেনি কোনভাবেই। সে যাই হোক! এমন বহু গুণমুগ্ধ তার চারিত্রিক বিভিন্ন বিষয়কে উপেক্ষা করেও তার গুণ কে কদর করে। এমনই একজন রানাঘাটে পার্লারের মালিক আতরআলী আসন্ন শারদীয় উৎসব উপলক্ষে রানু মন্ডল কে পৌঁছে দিলেন বেশকিছু দিনেরখাদ্য সামগ্রী এবং নতুন পোশাক। উৎসব যে সকলের ! তা আরো একবার পরিষ্কার বোঝা গেল আতর আলীর কৃতকর্মে।
