খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য গতকালের মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ, দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় এবং বিজেপির প্রথমসারির বেশ কিছু নেতা। পুলিশ তাঁদের বাধা দিলে বিভিন্ন এলাকায় তাদের সঙ্গে বচসা এবং ধ্বস্তাধ্বস্তি বাধে বিজেপি কর্মীদের। সেই ধ্বস্তাধ্বস্তির ভিডিয়ো ফুটেজে দেখা যায়, এক শিখ যুবককে ধরেছে পুলিশ। সেই যুবককে ধরার সময় ধ্বস্তাধ্বস্তিতে তাঁর পাগড়ি খুলে যাচ্ছে।
Plz have a look into this matter @MamataOfficial this isn’t done 😡😡 https://t.co/mKrbQhn1qy
— Harbhajan Turbanator (@harbhajan_singh) October 9, 2020
ঘটনাচক্রে, বলবিন্দর সিংহ (Balwinder Singh) নামে ওই যুবকের হেফাজত থেকে একটি পিস্তলও উদ্ধার করেছিল পুলিশ। তা নিয়ে ব্যাপক বিতর্কও হয়েছিল। বলবিন্দর বিজেপি যুবমোর্চার রাজ্য কমিটির সদস্য তথা ব্যারাকপুরের বাসিন্দা প্রিয়াংশু পাণ্ডের দেহরক্ষী বলে জানা গিয়েছিল। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে ছিলেন, পিস্তলটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত। কিন্তু পরে জানা গেছে পিস্তল টির লাইসেন্স করানো হয়েছিল জম্মুর রজৌরি থেকে। এবং শুধুমাত্র কাশ্মীরিই পিস্তলটি ব্যবহার করা যাবে। সেই পিস্তল বাংলায় নিয়ে ঘোরার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিলেন ওই শিখ যুবক।
গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাতেই ভিডিয়োটি ভাইরাল হয়ে যায়। তা নিয়ে দেশ জুড়ে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। দিল্লির জংপুরের বিজেপি নেতা ইমপ্রীত সিংহ বক্সি ভিডিয়োটি টুইট করে লেখেন, ‘প্রিয়াংশু পাণ্ডের দেহরক্ষী বলবিন্দর সিংহের পাগড়ি খুলে দেওয়া হয়েছে। তাঁকে টেনেহিঁচড়ে রাস্তায় নৃশংস ভাবে মেরেছে বাংলার পুলিশ’।
এরপরই তিনি লেখেন পাগড়ি খুলে দেওয়া শিখ সম্প্রদায়ের কাছে চূড়ান্ত অপরাধের শামিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছে সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানান ইমপ্রীত। তাঁর টুইটটি ‘রিটুইট’ করেন এক জনৈক নেটাগরিক। সেই ব্যক্তিই প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার যুবরাজ সিংহ (Yuvraj Singh), হরভজন-সহ (Harbhajan Singh) আরও অনেককে ‘ট্যাগ’ করেন। সেই টুইট দেখেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য টুইটে আবেদন জানান হরভজন।
