Breaking: আচমকাই সল্টলেকে গোর্খা ভবনে বিমল গুরুং

Wednesday, October 21, 2020
..
🎙️
খবরটি শুনুন অডিও সংস্করণ
রাজ্য পুলিশ তাঁকে বহুদিন ধরেই খুঁজছে। কিন্তু দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি ফেরার ছিলেন। বুধবার পঞ্চমীর দিন বিকেলে হঠাৎ সল্টলেকের গোর্খা ভবনে উদয় হলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা নেতা বিমল গুরুং।

এদিন সকাল থেকেই রাজনৈতিক শিবিরের গুরুংকে ঘিরে নানান জল্পনা চলছিল। এও শোনা যাচ্ছিল, নবান্নে যেতে পারেন বিমল গুরুং ও রোশন গিরি। তার পরেই জানা যায়, সল্টলেকের গোর্খা ভবনে যেতে পারেন তিনি।

বাংলায় তৃণমূল সরকারের সঙ্গে গুরুংয়ের সংঘাতের কথা অজানা নয়। সেই সংঘাতের তীব্রতা এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে গুরুং দার্জিলিং ছাড়তে বাধ্য হন। লুকিয়ে থেকে গোপন আস্তানা থেকে স্রেফ অডিও মেসেজ পাঠাতে এই গোর্খা নেতা। একদিকে যখন গুরুং গা ঢাকা দিয়ে ছিলেন, তখন অন্যদিকে তাঁর স্থানে বিনয় তামাংকে উঠে আসতে সুবিধা করে দেয় বাংলায় শাসক দল।
সেই পরিস্থিতিতে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব গুরুংয়ের পাশে ছিল বলেই জানা গিয়েছিল। কিন্তু গত কিছুদিন যাবৎ জল্পনা চলছে যে গুরুংয়ের সঙ্গে বাংলায় শাসক দলের কিছু একটা বোঝাপড়ার চেষ্টা চলছে। তার পরই আজ বুধবার গুরুংয়ের আবির্ভাব ঘটেছে। এদিন গোর্খা ভবনে প্রবেশের মুখে গুরুংয়ের গাড়িতে এক গেরুয়া বসনধারীকে দেখা যায়।
কৌতূহলের বিষয় হল, সত্যিই কি শাসক দলের সঙ্গে কোনও সমঝোতা হয়েছে গুরুংয়ের? না হলে যে গুরুং এতোদিন গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি সশরীরে সল্টলেকে কেন?
এদিন বিমল গুরুঙ্গকে ওয়ালের প্রতিনিধি প্রশ্ন করেন, সরকারের সঙ্গে কোনও কথাবার্তা হয়েছে কিনা, তাতে গুরুঙ্গ বলেন তিনি এখন কিছু বলবেন না। যা বলার গোর্খা ভবনের ভেতরে ঢুকেই বলবেন। কিন্তু গোর্খা ভবনের গেট ভেতর থেকে বন্ধ। গেটের বাইরে প্রায় ২০ মিনিট ধরে অপেক্ষা করছেন গুরুঙ্গ। গেট খোলার চেষ্টা করছে বিধাননগরের পুলিশ। সূত্র: Thewall

×

Processing Your Link...

--

Please wait while we secure your destination.

Admin Access

Link Generator