
শ্রমিকদের ওয়ার্ক কালচার না থাকার কারণ দেখিয়ে শুক্রবার থেকে লকআউট ঘোষিত হল বেলাকোবার শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পাড়ার আর এল জুট মিল প্রাইভেট লিমিটেডে। এর ফলে অনিশ্চয়তার মুখে পড়লেন ৪৫ জন স্থায়ী কর্মী। লক আউটের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে সেই সাথে খোলার দাবিতে ডিসটিক লেবার কমিশনার জলপাইগুড়িকে( ডি এল সি) চিঠি দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন। অন্যান্য দিনের মতো আজ সকালে কাজে যোগ দিতে এসে দেখেন প্রবেশদ্বারে ঝুলছে তালা সেইসাথে লক-আউটের নোটিশ বলে অভিযোগ করেন মিল কর্মী বিষ্ণু রায় লক্ষণ দাস বিকাশ রায় প্রমুখ। আইএনটিটিইউসি সেন্টাল কন্টাকচুয়াল ডেইলি রেটেড এন্ড ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি স্বপন সরকারবলেন ইউনিয়ন এর পক্ষ থেকে জুট মিলের মালিকে সরকারি হাজিরা , পিএফ এর হিসাব বছরের পূর্ণ দিন কাজ , বোনাসের প্রমুখ নিয়ে গত ৫.৯.২০তারিখ একটি দাবি সনদ দেওয়া হয়। দাবি সনদটি নিয়ে ডিএলসির ডাকা ৩.১১.২০ তারিখ এক ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে সমস্যার সমাধান না হওয়াতে পরবর্তী বৈঠক ১৮.১১.২০ তারিখ ডিএলসির কার্যালয়ে বৈঠক নির্ধারিত হলেও আগাম না জানিয়ে সেদিন মালিকপক্ষ কেউ না আসাতে বৈঠকটি ভেস্তে যায়। করোনার প্রবাহে সম্পূর্ণ শ্রমিক বিরোধী নীতি নিয়ে অবৈধভাবে লোক আউট ঘোষণাকে তীব্র প্রতিবাদ করেন । অবিলম্বেএক বৈঠক ডাকার জন্য ডিএলসি কে একটি চিঠি দিয়ে অনুরোধ করেছেন। মিলের মালিক সঞ্জয় চিরানিয়া বলেন করোনা প্রবাহের মধ্যেও বেতন বাড়িয়েছেন বোনাস দেওয়ার কথা অঙ্গীকার করেছেন বিষয়গুলি নিয়ে শ্রমদপ্তরে আলোচনা চলছে তথাপি আন্দোলনের নামে কাজের ব্যাঘাত অন্যান্য কর্মচারীদের হুমকি দেওয়াতে তারা কাজ ছেড়ে দিয়েছে ফলে শুক্রবার থেকে লকডাউন ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে বলে তিনি আজকে এক চিঠিতে এল সি কে জানিয়েছেন। এসম্পর্কে ডি এল সি জলপাইগুড়ি জানান আলোচনা চলছিল তার মধ্যে এই লকআউট হল বিষয়টি নিয়ে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ৩.১২.২০ তারিখ তার দপ্তরে ডাকা হয়েছে।