দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের ট্যাব দেবে, ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

Thursday, December 03, 2020
..
🎙️
খবরটি শুনুন অডিও সংস্করণ
বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘরের সাংবাদিক বৈঠকে পড়ুয়াদের জন্য ট্যাব, জানুয়ারিতে সরকারি কর্মচারীদের আর এক দফার ডিএ-সহ একগুচ্ছ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা-পরিস্থিতিতে স্কুল বন্ধ। ভরসা আপাতত অনলাইনেই। কিন্তু পর্যাপ্ত সরঞ্জামের অভাবে অনলাইন ক্লাস থেকে বঞ্চিত বড়ো অংশের পড়ুয়া। সেই সমস্যার সমাধানে পড়ুয়াদের হাতে বিনামূল্যে ট্যাব তুলে দেওয়ার ঘোষণা করল রাজ্য সরকার।
এ দিনের ঘোষণাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য পড়ুয়াদের হাতে ট্যাব তুলে দেওয়ার ঘোষণা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সাড়ে ৯ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রীকে ট্যাব দেওয়া হবে। অনলাইনে পড়াশোনার জন্য দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের ট্যাব দেওয়া হবে”।

প্রারম্ভিক পর্বে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের দেওয়ার পর পরবর্তীতে অন্যান্য শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্যও ট্যাব বিতরণের চিন্তাভাবনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল ও হাই মাদ্রাসার পড়ুয়ারা এই ট্যাব পাবে। একই সঙ্গে সরকারি স্কুলগুলিকে একটি করে কম্পিউটার দেওয়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যে প্রায় ১৪ হাজার উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল এবং ৬৩৬টি মাদ্রাসা রয়েছে৷ পাশাপাশি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য জানুয়ারিতে আরও এক দফায় ডিএ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। এ দিনই তৃণমূল রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কোভিড পরিস্থিতিতেও সরকারি কর্মীদের সুবিধা দিয়েছে রাজ্য সরকার। সরকারি কর্মীরা ভালো আছেন। অভিবাসীদের আনতে ৩০০ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বহু জায়গা থেকে বাসে করে আনা হয়েছে শ্রমিকদের। জুন পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১০ কোটি মানুষকে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে নিয়ে আসা হচ্ছে। কোভিড এবং উম্পুনের বিপর্যয়ের পরেও কেন্দ্রের তরফে পর্যাপ্ত আর্থিক সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। কেন্দ্রের কাছে ৮৫ হাজার কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। শুধুই বঞ্চনা মিলেছে”।

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের প্রসঙ্গে মমতা বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। রেল-কোল ইন্ডিয়ার অফিসারদের ভবিষ্যৎ নেই। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের কথা বলতে দেওয়া হয় না”। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, “বেসরকারি হাসপাতালে আরটিপিসিআর টেস্টে করতে গেলে এখন খরচ হয় ১২৫০ টাকা। এ বার থেকে ওই টেস্ট করানোর জন্য বেসরকারি হাসপাতালে খরচ কমিয়ে করা হচ্ছে ৯৫০ টাকা”।

×

Processing Your Link...

--

Please wait while we secure your destination.

Admin Access

Link Generator