এখনও পর্যন্ত ভারতে করোনার ভাইরাসের নতুন স্ট্রেনে আক্রান্ত হয়েছে ২৯ জন। ব্রিটেন থেকে জানানো হয়েছে যে নয়া এই স্ট্রেন ৭০ শতাংশ বেশি সংক্রামক। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে শুক্রবার জানানো হয়েছে যে, ভারতে এখনও পর্যন্ত ২৯ জনের সংক্রমিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, ৯ই ডিসেম্বর থেকে ২২শে ডিসেম্বর, ১৪ দিন ধরে ভারতে আসা সমস্ত আন্তর্জাতিক যাত্রীর উপর লক্ষ্য রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে কোনও লক্ষণ দেখা গেলে বা তারা সংক্রমিত হলে, তাদের সঙ্গে সঙ্গে সিকোয়েন্সিং-এর অংশ করা হবে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ২০২০ সালে নভেম্বরে ১০.৪৪ লক্ষ আন্তর্জাতিক যাত্রী ভারত থেকে আসা-যাওয়া করেছে। শুধু ভারতই নয়, ব্রিটেন থেকে প্রাপ্ত করোনার এই নয়া স্ট্রেন ছড়িয়ে পড়েছে আরও অন্যান্য দেশগুলিতেও। এর মধ্যে রয়েছে সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, সুইডেন, ফ্রান্স, জাপান, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, লেবানন, জাপান, ও আরও নানান দেশেও।
ব্রিটেনে করোনার নয়া স্ট্রেনকে সাফল্যের সঙ্গে কালচার করল ভারত
খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
গত কয়েকদিন ধরেই করোনার নয়া স্ট্রেন বেশ মাথাচাড়া দিয়েছে। ব্রিটেন তো বটেই, এই নয়া স্ট্রেন নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়ে ভারতেরও। তবে এরই মধ্যে খুশির খবর দিল দিল্লির আইসিএমআর। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ব্রিটেন থেকে আসা করোনা ভাইরাসের এই নয়া স্ট্রেনকে সাফল্যের সঙ্গে আটকাতে সক্ষম হয়েছে তারা। আইসিএমআর-এর দাবী, ভারতই প্রথম দেশ যে করোনার এই নয়া স্ট্রেনকে কালচার করতে পেরেছে। এই পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রিতভাবে একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি করে সেখানে জিনিসটি তৈরি করা হয়। এরকম পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক অবস্থাতেই জিনিসটি থাকতে পারে সম্প্রতি, আইসিএমআর একটি টুইট করে জানিয়েছে যে এখনও পর্যন্ত ব্রিটেন থেকে পাওয়া নতুন পাওয়া সার্স কোচ ২-কে সাফল্যের সঙ্গে কালচার করতে পারেনি কোনও দেশ। কিন্তু ভারত এই ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছে। জানা গিয়েছে, ব্রিটেন থেকে প্রাপ্ত নতুন প্রকারের সব প্রজাতি নিয়ে পৃথকভাবে কালচার করতে পেরেছে ভারত। এই নতুন নমুনা ব্রিটেন থেকে ফেরত মানুষের শরীর থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল।