খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
রাজ্য সরকার বদলের ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল নন্দীগ্রাম। বাংলার পরিবর্তন শুরু নন্দীগ্রামের হাত ধরেই। এবার ফের পরিবর্তনের পরিবর্তন করার ডাক দিয়েছে বিজেপি। এবারও সেই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নন্দীগ্রাম। সেখান থেকেই বাংলার দ্বিতীয় দফার পরিবর্তন হবে, এমনটাই ঘোষণা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আজ, শুক্রবার ‘চায়ে পে চর্চা’-তে দিলীপ ঘোষ বলেন যে একসময় বিজেপি নন্দীগ্রামে ঢুকলে, তাদেরক আটকানো হত, কিন্তু আজ সেখানকার নেতারাই বিজেপি যোগ দিচ্ছেন। এদিন শহিদ মিনার প্রসঙ্গে দিলীপবাবুর সাফ কথা, “কারোর ব্যক্তিগত টাকায় নন্দীগ্রামে শহিদ মিনার তৈরি হয়নি। নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন শুভেন্দুবাবু। তাই ওঁর দায়িত্বে তিনি শহিদ মিনার তৈরি করেছেন। যাঁদের এই নিয়ে প্রশ্ন ছিল, তারা শুনুন, ওটা জনগণের টাকায় তৈরি”। এরপরই রাজ্য সরকারকে সরাসরি আক্রমণ করে তিনি বলেন যে বর্তমান সরকার চোরের সরকার। তাঁর দাবী, এই সরকার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়, অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের মৃতদেহ চুরি করেছে। তাদের মুখে কোনও কথা মানায় না।
প্রসঙ্গত, গতকাল, বৃহস্পতিবার ছিল নন্দীগ্রামে শহিদ দিবস। শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার মধ্যরাতে সূর্য ওঠার আগেই সংঘাত এড়ানোর জন্যই নন্দীগ্রামে হাজির হন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ভাঙাবেড়া ব্রিজের কাছে শহিদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানান তিনি। তাঁর এই প্রয়াসের জন্যও কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। রাতের অন্ধকারে শহিদ দিবস পালন করায় তাঁকে তীব্র কতাক্ষ করে ভুমি উচ্ছেদ প্রতিরক্ষা কমিটি। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ৭ই জানুয়ারি সিপিএমের দুষ্কৃতীদের গুলিতে শহিদ হন বিশ্বজিৎ মাইতি, শেখ সেলিম, ও ভরত মণ্ডল। এই কারণেই প্রত্যেক বছর ৭ই জানুয়ারি নন্দীগ্রামে শহদ দিবস পালন করে এই শহিদদের শ্রদ্ধা জানানো হয়। এই বছর এই দিনটিকে নিয়ে শুরু হয়েছে বিজেপি-তৃণমূল সংঘাত। ঠিক ছিল গতকাল নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করবেন। কিন্তু পরে তা বাতিল হয়ে যায়।