করোনা থাবা বসানোর পর থেকেই পৃথিবী সহ গোটা ভারতবাসী চাতক পাকির মতোই এই মারণ ভাইরাস প্রতিরোধকারী টিকা আবিষ্কারের দিকে তাকিয়ে ছিল। অবশেষে মিলেছে স্বস্তি। সম্প্রতি ডিজিসিআই সম্মতি দিয়েছে কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডে প্রয়োগের ক্ষেত্রে। এবার আরও বড় সুখবর এল দেশবাসীর জন্য কারণ আগামী সপ্তাহ অর্থাৎ ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু দেশে করোনা টিকাকরণ। এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে। ডিসিজিআই রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলন করে ভ্যাকসিনের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে অনুমোদন দিয়েছে। বিশেষজ্ঞ কমিটি শনিবার কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডে ব্যবহার সম্পর্কে ছাড়পত্র দেয় ডিসিজিআইকে। কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিনকে সংরক্ষণ করা যাবে দুই থেকে আট ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে। কোভিশিল্ড ৭০ শতাংশেরও বেশি নিরাপদ বলেই জানিয়েছিলেন ডিসিজিআই। এই দুটি ভ্যাকসিন ১০০ শতাংশ নিরাপদ এবং এই টিকার প্রয়োগে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে না বলেই জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে কাদের আগে এই টিকা দেওয়া হবে এই নিয়ে। তিকাকরন শুরু হলে সবার প্রথমে টিকা দেওয়া হবে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইকারী প্রথম সারির যোদ্ধাদের। এমনটাই জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। সারা দেশের ১২৫টি জেলার ২৮৬টি কেন্দ্রে শনিবারই ড্রাই রান হয়েছে। ভারত বায়োটেক, আইসিএমআর এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজির সহযোগিতায় কোভ্যাক্সিন নামক একটি ভ্যাকসিন তৈরি করেছে, সেখান থেকে তারা ভাইরাস বীজজনিত স্ট্রেন পেয়েছে। ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন দেশের দ্বিতীয় ভ্যাকসিন, যা অনুমোদন পেল। এর আগে অনুমোদন দেওয়া হয় অক্সফোর্ড- অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ডকে। অন্যদিকে ভারতই প্রথম দেশ যেখানে দুটি দেশীয় ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে জরুরি ভিত্তিতে।
