খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
যবে থেকে ভারতে করোনা পরিস্থিতি শুরু হয়েছে তবে থেকেই আম জনতাকে সতর্ক করতে মোবাইলের কলার টিউনে কোভিড সতর্কবার্তা জুড়ে দিয়েছে সরকার। আর দীর্ঘদিন যাবৎ এর জেরে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে সাধারন মানুষকে। তাড়াতাড়িতে কাউকে ফোন করলে উপায় নেই, আপনাকে পুরো সতর্কবার্তা শুনতে হবে। এর ফলে অসুবিধাও হচ্ছে বিস্তর। অমিতাভ বচ্চন-এর কন্ঠে এই সতর্কতা শুনতে শুনতে তিতিবিরক্ত দেশবাসী। আরেে বার্তায় এই কলার টিউন সরানোর আবেদন করে দিল্লি হাইকোর্টে দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা। রাকেশ নামে দিল্লির এক বাসিন্দা তথা সমাজকর্মী এই জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেন। নিজের আবেদনে ওই ব্যক্তি লিখেছেন, মহামারীর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসাবে জনগণকে সচেতন করতে সরকার অমিতাভ বচ্চনকে দিয়ে এই সতর্কতামূলক কলারটিউন রেকর্ড করিয়েছে। যদিও অভিনেতা নিজে এবং তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও এই করোনার হাত থেকে বাঁচতে পারেননি।
একই সঙ্গে আবেদনে তিনি লিখেছেন, অমিতাভ বচ্চন এর মাধ্যমে দেশকে কোনও সেবা দিচ্ছেন না। ভারত সরকার এই কলার টিউনের জন্য তাঁকে পারিশ্রমিক দিয়ে চলেছে। অথচ, কিছু বিখ্যাত করোনা যোদ্ধা রয়েছেন যাঁরা বিনামূল্যে এই পরিষেবা দিতে রাজি ছিলেন। এমনকি এই যোদ্ধারাই এখন দুঃস্থ মানুষজনকে বিভিন্ন পরিষেবা দিয়ে চলেছেন। তাঁরা তাঁদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যায় করে এই পরিষেবা দিচ্ছেন। তাই ন্যায়বিচারের স্বার্থেই মোবাইল থেকে করোনা নিয়ে অমিতাভ বচ্চনে গলায় এই কলার টিউনটি সরিয়ে দেওয়া হোক। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার, দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি এন প্যাটেল এবং জ্যোতি সিংয়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই আবেদনের শুনানি হয়।