খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
প্রার্থী পদ ঘোষণার দিন তার নাম না থাকাতে অভিমানে পার্থী পথ থেকে খগেশ্বর রায় কে অপসারণের জেহাদ ঘোষণা করে নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ান কথা ঘোষণা করেন কৃষ্ণ দাস । পরের দিন দুলাল দেবনাথের নেতৃত্বে কৃষ্ণ বাবুর বাড়িতে উপস্থিত হয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়। দুলাল বাবু কে পার্টির হয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে মুশকিল-আসানের ভূমিকা নিতে দেখা গেছে এক্ষেত্রেও তিনি টেলিফোন যোগে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অভিষেক ব্যানার্জি সাথে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট করে কৃষ্ণ বাবুর সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা করেন।
সেই বৈঠক সন্তোষ জনক হয় বলে কৃষ্ণ বাবু জানিয়ে ছিলেন কলকাতা থেকে ফিরে এসে তিনি দলীয় কর্মীদের সাথে আলোচনার বিষয়বস্তু তুলে ধরে দলীয় সমর্থকদের মতামত এর ভিত্তিতে তিনি পূর্ব অবস্থান থেকে সরে এসে মমতা ব্যানার্জিকে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী আসনে বসার জন্য ঐক্যবদ্ধ ভাবে রাজগঞ্জ বিধানসভার থেকে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করার সিদ্ধান্ত নেন।
রবিবার ব্লক সভাপতি লক্ষ্য মোহন রায় জেলা সভাধিপতি উত্তরা বর্মন কে নিয়ে কৃষ্ণ বাবুর বাড়িতে গিয়ে দুইজনের মধ্যে হাত ধরাধরির কোলাকুলির মধ্যে হয় সন্ধি এবং মান অভিমান কে দূরে সরিয়ে উভয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে নির্বাচনে লড়াই এ সামিল হয়ে সাম্প্রদায়িক বিজেপি দলকে কুপোকাত করার অঙ্গীকার নেই এ সম্পর্কে ব্লক সভাপতি লক্ষ্য মোহন রায় বলেন কৃষ্ণ বাবুর জনপ্রিয়তাকে কেউ অস্বীকার করেন না তার অভিমান স্বাভাবিক ছিল সেই অভিমান থেকে সরে এসে ইতিমধ্যে তিনি নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানান।
দুলাল বাবু বলেন কৃষ্ণদাস দলের সম্পদ সুদক্ষ সংগঠক তিনি দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জিকে সামনে রেখে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার জন্য তাকে স্বাগত জানান। পার্থী খগেশ্বর রায় বলেন সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করতে তিনি ভাইয়ের বাড়িতে যান ,দাদাভাই এর মধ্যে মান অভিমান হয় তা ক্ষণস্থায়ী নির্বাচন প্রচারে উভয়ের অংশগ্রহণ নতুন মাত্রা পাবে তিনি 200% নিশ্চিত এই কেন্দ্র থেকে চতুর্থবারের জন্য তিনি নির্বাচিত হবেন। একই বক্তব্য রাখেন কৃষ্ণ বাবু।