কলকাতায় ভুয়ো ভ্যাকসিনেশন সেন্টার! টিকা নিয়েছেন মিমি চক্রবর্তীও

Friday, June 25, 2021
..
🎙️
খবরটি শুনুন অডিও সংস্করণ
পুরসভার প্রাথমিক রিপোর্টে সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। কসবার ওই ভুয়ো টিকাকেন্দ্রে আদতে দেওয়াই হয়নি করোনা ভ্যাকসিন। এরপরই ওই টিকা কেন্দ্র থেকে ভ্যাকসিন নেওয়া মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। খাস কলকাতা শহরের মধ্যে পুরসভার লোগো ব্যবহার করে চলল ভুয়ো ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প। সেই ক্যাম্প থেকে টিকা নিয়ে প্রতারণার শিকার খোদ সাংসদ অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty) সহ আরও কয়েকশো মানুষ। জানা গিয়েছে, কসবার ওই ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প থেকে যারা টিকা নিয়েছেন, তাদের মধ্যে অধিকাংশই সোনারপুরের বাসিন্দা। ভয়ে উদ্বেগে বাসিন্দারা বিধায়ক লাভলি মৈত্রর দ্বারস্থ।

অন্তত ৫০০ সোনারপুরবাসী টিকার বদলে শরীরে কী গেল সেই নিয়ে আতঙ্কিত। বৃহস্পতিবার উদ্বেগে তাদের অনেকেই সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক লাভলি মৈত্রর সঙ্গে দেখা করেন। বহুদিন ধরেই কসবায় জাল ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প চালিয়ে আসছে দেবাঞ্জন দেব। সেই সেন্টার থেকে ভ্যাকসিন নেওয়া প্রত্যেকে এখন সাংঘাতিক আতঙ্কে ভুগছেন। এদিন বিধায়ক লাভলি মৈত্রকে তারা জানিয়েছেন, কারওর কাছেই কোনও মেসেজ আসেনি।

অনেকের টিকা নেওয়ার পর ১০ দিন পেরিয়ে গিয়েছে। জাল ক্যাম্প থেকে টিকাগ্রাহকেরা বেশিরভাগই নিম্নবিত্ত পরিবারের। পেশায় কেউ ভ্যানচালক, কেউ রিক্সাচালক। শরীরে জাল টিকার প্রভাব নিয়ে মারাত্মক মানসিক চাপে প্রত্যেকেই। বিষয়টি নিয়ে পুরসভা ও স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে কথা বলেছেন, যাতে কোনও সুরাহা করা যায় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিধায়ক লাভলি মৈত্র। অন্যদিকে, পুরসভার প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, কোনও হাম বা বিসিজি জাতীয় ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। পাউডার ও লিকুইড মিশিয়ে তৈরি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল ওই সেন্টারে। টিকার কোনও ভায়ালেই ছিল না ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট, এক্সপায়ারি ডেট।ছিল না ব্যাচ নম্বরও। পাউডারের সঙ্গে জল মিশিয়ে সেই তরলই টিকার নাম করে দেওয়া হয়েছিল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী এবং বহু মানুষকে, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এমনটাই।

×

Processing Your Link...

--

Please wait while we secure your destination.

Admin Access

Link Generator