খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
নিখোঁজ নাবালিকাকে স্কুলছাত্রী কে সাত দিনের মাথায় দিল্লি থেকে উদ্ধার করল পুলিশ । পুলিশের বড় সাফল্য বলে এলাকাবাসীদের মন্তব্য । বেলাকোবা উচচ বালিকা বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী ট্যাব কেনার জন্য যাবতীয় তথ্য ভেরিফিকেশন করাতে ৯ জুলাই শুক্রবার স্কুলে যায়,সেখানে অনান্য ছাত্রীদের সাথে লাইনেও দাড়ায় কিছুক্ষণ থাকার পর ছাত্রীটি বেরিয়ে পড়ে তারপর থেকে নিখোঁজ হয়ে গেলে পরের দিন মেয়েটির বাবা বেলাকোবা পুলিশ ফাঁড়ি তে লিখিত অভিযোগ জানালে পুলিশ তদন্তে নামে । ফাঁড়ির ওসি বুদ্ধদেব ঘোষ দিল্লির ক্রাইম ব্রাঞ্চ ও নারী পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কাজের সাথে যুক্ত দিল্লির শক্তি বাহিনী নামে এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে যোগাযোগ রাখে চলেন ।
বুদ্ধদেব বাবু জানান ১২ ই জুলাই সোমবার বিকেল চারটের সময় দিল্লি ক্রাইম ব্রাঞ্চ থেকে তার মেলে খবর আসে মেয়েটি দিল্লিতে অবস্থান পারমিশন করছে ন তারা সেই বাড়ি গার্ড করে রেখেছে বলে মেসেজ পাঠান। সেদিনই সোমবার ওসি এবং মেয়েটি বাবা সহ মোট ৫ জন দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা রওনা দিয়ে পরের দিন মঙ্গলবার মেয়েটিকে উদ্ধার করে দিল্লির চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটি১৪ তারিখ বুধবার মেয়েটিকে রাত্রে সিডাব্লসি থেকে নিয়ে ১৫ তারিখ বৃহস্পতিবার এক লেডি কনস্টবল ও মেয়েটির বাবা সহ মেয়েটিকে ফ্লাইটে করে বাগডোগরা পাঠান সেখান থেকে বেলাকোবা হয়ে আজ জলপাইগুড়ি সিডাব্লসি হোমে রাখা হয় ।
বুদ্ধদেব বাবু জানান, দিল্লি একজন ডান্স প্রশিক্ষক ডান্সের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে এনেছিল তার খোঁজে তিনি দিল্লি রয়ে গেছেন তাকে গ্রেপ্তার করে তিনি দিল্লি থেকে বেলাকপার উদ্দেশ্যে পাড়ি দেবেন। এসম্পর্কে আজ মেয়েটির বাবা কে বেলাকোবা জলপাইগুড়ি পুলিশ সুপার দেবর্ষি দত্ত বলেন, পুলিশের এটা পার্ট অফ জব উদ্ধার এর ক্ষেত্রে ভিন্ন রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন থেকে আমরা সহযোগিতা পেয়েছি প্রতিটি থানায় নারী পাচার সম্পর্কে অ্যালার্ট করা হয়েছে মেয়েটিকে জলপাইগুড়ি সি ডব্লিউ সি হোমে রাখা হয়েছে আইনি প্রক্রিয়া চলবে এই উদ্ধারে তিনি বেলাকোবা ফাঁড়ির ওসি বুদ্ধদেব ঘোষের ভূমিকার প্রশংসা করেন স্থানীয় বিধায়ক খগেশ্বর রায় পুলিশের উদ্যোগের পাশাপাশি ওসি বুদ্ধদেব কে ধন্যবাদ জানান সেই সাথে মেয়েটির বাবা মা মেয়েকে ফিরে পেয়েছেন তার জন্য স্বস্তি বোধ করে ।
স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মানসী ঠাকুর পুলিশের উদ্যোগকে প্রশংসা করে পাশাপাশি অভিভাবক অভিভাবিকা দের উদ্দেশ্যে বলেন, ছেলে মেয়েদের হাতে ফোন না দেওয়া এবং তাদের বাড়িতে কাউন্সেলিং করা। স্কুল দেড় বছর বন্ধ থাকাতে সেই কাজটা তারা স্কুলে করে উঠতে পারছেন না বলেও মন্তব্য করেন।