খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
এদিন বারোপাটিয়ার, এক নম্বর প্রধান পাড়া স্কুলে দুয়ারের সরকার ক্যাম্প বসে! সেই কেম্পে সিডিউল কাস্ট বানানোর জন্য ডকুমেন্টস সাবমিট করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয় বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। গ্রামবাসীদের অভিযোগ আমরা এতদিন থেকে শুনে এসেছি সিডিউল কাস্ট করার জন্য কোন প্যান কার্ড এর প্রয়োজন হয় না, তাই আগে প্যান কার্ড বানাইনি। যদি বিষয়টা জানতাম "সিডিউল কাস্ট বানানোর জন্য প্যান কার্ড প্রয়োজন" তাহলে প্যান কার্ড আগেই বানাতাম। কিন্তু আজকে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে এসে, দুয়ারের সরকারের আধিকারিকরা জানায়। বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে সিডিউল কাস্ট করতে হলে প্যান কার্ড সাবমিট করতে হবে, যদি কিনা তাদের জন্মস্থান এর নিজের "বাবার নাম", কোন ডকুমেন্টস এ না থাকে কিংবা ভুল থাকে। এদিকে গ্রামবাসীদের অভিযোগ প্যান কার্ডের বদলে আমরা বাসিন্দা সার্টিফিকেট এবং প্রধানের সার্টিফিকেট জমা দিচ্ছি কিন্তু তবুও আমাদের ডকুমেন্ট সাবমিট করছেন না।
এদিকে দুয়ারের সরকারে বসা এক আধিকারিক 'পৌলমী চক্রবর্তী' জানায়, প্রধানের সার্টিফিকেট এবং বাসিন্দা সার্টিফিকেট দিয়ে কোন কাজ হবে না সেগুলোর কোনো দাম নেই। বিডিও অফিস থেকে অর্ডার আছে সিডিউল কাস্ট এর জন্য পেন কার্ড সাবমিট করতেই হবে, যদি তাদের জন্মস্থান এর নিজের "বাবার নাম", কোন ডকুমেন্টস এ, না থাকে কিংবা ভুল থাকে। এ বিষয়ে জলপাইগুড়ি এসসি, এসটি, ওবিসি, সেলের সভাপতি কৃষ্ণদাস জানায়। বিষয়টা মোটেও ভালো না, অধিকারীদের কাজ হলো ফ্রম জমা নেওয়া। তা অ্যাপ্রুভ হবে কি না সেটা উপর মহল দেকবে, আর প্রধান যে বংশতালিকা এবং সার্টিফিকেট দেয়, সেটা অবশ্যই দরকারি। কারণ এগুলো ছাড়াতো তাদের বাসস্থান এবং জন্মস্থান প্রমাণ করাই মুস্কিল। এবং এ বিষয় নিয়ে কৃষ্ণদাস নিজেই দুয়ারের সরকারের আধিকারিকদের সাথে মোবাইল এর মাধ্যমে কথা বলেন। দুয়ারের সরকারের ক্যাম্পে কিছুটা চাঞ্চল্যের পর যদিও তারা প্যান কার্ড ছাড়াই সিডিউল কাস্টের জন্য ফ্রম সাবমিট নিয়ে থাকলেও। স্থানিয় সূত্রে খবর, আবার কিছুটা সময় পেরিয়ে গেলে, সাংবাদিকরা চলে আসার পর আবার প্যান কার্ড এর জন্য সিডিউল কাস্ট এর ফ্রম জমা না নিয়ে ফিরিয়ে দেন অনেক গ্রামবাসীকে।
