খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
সূত্রের খবর, শিলিগুড়ি সংলগ্ন ফুলবাড়ি এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাহুডাঙ্গি এলাকার নওয়াপাড়ার বাসিন্দা অন্যত রায় খাওয়ার জন্য সাঘুডাংগি বাজার থেকে লাফা শাক কিনে আনেন। সেই শাক রাতেই রান্না করে খায় পরিবারের প্রত্যেকে। খাওয়ার কিছু ক্ষন পর থেকে পরিবারের প্রত্যেকের শুরু হয় বমি পায়খানা। বাড়িতে রান্না করা শাক খেয়ে কী ভাবে কারও মৃত্যু হতে পারে কিংবা কেউ অসুস্থ হতে পারে তা নিয়েই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায় এরপরই প্রতিবেশীরা তাদের প্রথমে নিয়ে যায় শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে। পরে প্রত্যেকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শিলিগুড়ি হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করা হয় উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে। সেখানেই মৃত্যু হয় পরিবারের এক সদস্যা তনুশ্রী রায়ের (২১)। সে শিলিগুড়ি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। পাশাপাশি ওই ছাত্রীর মা নমিতা রায়, অন্যত রায়, মনিষা রায় ও শ্রুতি রায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তাদের অবস্থাও আশংকা জনক। খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারনে ছাত্রী মৃত্যুর ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। খাবারে বিষক্রিয়ার জেরেই তনুশ্রীর মৃত্যু হয়েছে এবং পরিবারের অন্যরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন তরুণীর মামা অবিনাশ রায়। তিনি বলেন, ‘সোমবার রাতে তনুশ্রীর মা প্যালকা শাক বাড়িতে রান্না করেছিলেন। রান্নার সময়ই হয়ত টিকটিকি বা ওই জাতীয় কিছু পড়েছিল। তার ফলে বিষক্রিয়া হয়েই পরিবারের সকলে অসুস্থ হয়ে পড়ে।’ একইসঙ্গে তরুণীর মৃত্যুর জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তবে তনুশ্রীর মৃত্যু হলেও তাঁর বাবা, মায়ের শারীরিক অবস্থা আপাতত ভাল রয়েছে, জানিয়েছেন যুবতীর কাকা বলেন রায়।