খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
শাশুড়ি ও জামাইকে আপত্তিকর অবস্থায় রান্নাঘরে দেখে ফেলল গ্রামের লোকজন। দীর্ঘদিন থেকেই জামাই ও শাশুড়ির অবৈধ সম্পর্ক ছিল বলে এলাকাবাসীদের মধ্যে গুঞ্জন ছিল। দীর্ঘদিন থেকে এই নিয়ে গোটা গ্রামে চর্চাও ছিল। এমনকি একবার সালিশি সভারও আয়োজন করা হয় গ্রামে। কিন্তু প্রমান না থাকায় পিছিয়ে আসতে হয়েছিল গ্রামবাসীদের। এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এমনটাই অভিযোগ ছিল এলাকাবাসীর। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাড়িতে শ্বশুর না থাকার সুযোগ নিয়ে শনিবার রাতে পুনরায় রান্নাঘরে জামাই ও শাশুড়ি লিপ্ত হয় অবৈধ সম্পর্কে। আর এই দৃশ্য নজরে পড়ে স্থানীয় এক যুবকের। এরপরই সে অন্যান্য এলাকাবাসীদের খবর দেন। পাড়ার মহিলারা ছুটে এসে দেখেন শাশুড়ি এবং জামাইয়ের ভালোবাসার সেই দৃশ্য। এরপর শুরু গণধোলাই। ঘটনাটি ঘটছে জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়ি ব্লকের গোসাইরহাট দীপটারি এলাকায়। ঘটনার পর এলাকাবাসীরা জামাইকে গাছে বেঁধে উত্তম মাধ্যম ক্যালানি দেন। এমনকি শাশুড়িকেও বেঁধে রাখা হয়। তবে তাদের আঘাত গুরুতর না হওয়ায় সুস্থই রয়েছে জামাই ও শাশুড়ি বলেই খবর। এর পর খবর দেওয়া হয় ধুপগুড়ি থানায়। উত্তেজনা এবং গণধোলাই এর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ধুপগুড়ি থানার পুলিশ। রাতেই অভিযুক্ত জামাই ও শাশুড়িকে উদ্ধার করে ধুপগুড়ি থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়। জনবসতি এলাকায় অবৈধ সম্পর্ক করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ায় এলাকার শান্তির পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার অভিযোগের ধৃত জামাই শাশুড়িকে জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হয়। গোটা ঘটনায় এলাকার মহিলাদের মধ্যে শুরু হয়েছে সমালোচনা এবং গুঞ্জন।