
ছোট থেকেই মেধাবী সোমা। বাবা চাষবাস করতেন। পড়াশোনার পাশাপাশি ছোট থেকে মেয়েকে গানের তালিম দিতেন। গানের গলাও বেশ তার। করোনা কালে যখন একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হয় সোমা, তখনই তার বাবাকে হারায়। এরপর থেকে মা’ ই ভরসা ছিল সোমার কাছে। পড়াশোনায় সাহায্য করত তার জেঠতুতো দাদাও। নিজেকে প্রতিষ্ঠা করবার লড়াই শুরু হয়েছিল একাদশ শ্রেণী থেকে। এরপর, নিজের জেদ, সাহস আর অধ্যাবসায়-কে সঙ্গে নিয়ে উচ্চমাধ্যমিকে ভালো ফল করেছে সে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নারায়ণগড়ের রাজা ঋষিকেশ লাহা উচ্চ শিক্ষানিকেতনের কলা বিভাগের ছাত্রী সোমা। স্কুল এবং দু’এক জন গৃহ শিক্ষকের সহায়তায় আজ সফল প্রত্যন্ত অঞ্চলের সোমা রাউত। বড় হয়ে শিক্ষকতা করতে চায় সে। বাবার ইচ্ছে ছিল গান নিয়েও পড়াশোনা করুক তার মেয়ে। তাই, পড়াশোনার সাথে গানের চর্চাও চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে রয়েছে। পরিবারের বক্তব্য, ছোট থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ও মনোযোগী সোমা। তবে, সরকারি কিংবা বেসরকারি সহায়তা পেলে সফলতার শিখরে পৌঁছতে পারবে তাঁদের বাড়ির মেয়ে।