খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
সিকিমে বিপর্যয়। তিস্তায় জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি সমতলেও। বুধবার জলের চাপে গজলডোবায় তিস্তার স্পারের বেশ কিছুটা অংশ ভেঙে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সেই স্পার সংস্কারের কাজ চলছে। নৌকায় করে সামগ্রী নিয়ে গিয়ে চলছে বাঁধ মেরামতের কাজ। স্পার সংস্কারে আসা এক কর্মী জানান, সিকিমের মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টির ফলেই গজলডোবায় তিস্তার জল বেড়েছে। তিস্তার স্পারের প্রায় ৩০০ মিটারের মতো বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। সেই বাঁধ মেরামতের কাজ চলছে। নৌকায় করে বালি-পাথর, বাঁশ সহ অন্যান্য জিনিস নিয়ে গিয়ে তা মেরামত করা হচ্ছে।
এদিকে এদিন বৃহস্পতিবার, গজলডোবায় বৈঠক করলেন সেচ ও জলপথ মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এদিন সেচ ও জলপথ মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়ে গজলডোবায় আসেন। এলাকা পরিদর্শন করে গজলডোবার হাওয়া মহলে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিক ও প্রশাসনের কর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেন, সিকিমে প্রবল বৃষ্টির ফলে সিকিম সহ জলপাইগুড়ি জেলার গজলডোবা, দোমহনি ও কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জল কমে গেলে কত ক্ষতি হয়েছে তা জানা যাবে। এছাড়া আর যাতে ক্ষতি না হয় সেব্যাপারে আমরা তৈরি। আপাতত কতটা ক্ষতি হয়েছে ও তার জন্য কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং কি ব্যবস্থা নিতে হবে গোটা বিষয় নিয়ে আজ বৈঠক করা হল। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সেচ ও জলপথ এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়নের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, পরিবেশ মন্ত্রী গোলাম রব্বানী,অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ মন্ত্রী বুলু চিকবড়াই, জলপাইগুড়ি জেলাশাসক সামা পারভিন, পুলিশ সুপার খান্ডবাহালে গণপত, রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায় ও গজলডোবা ব্যারেজ ও সেচ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিকরা।
