খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
বিগত কয়েক বছর ধরে মধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে পর্ষদকে বারে বারে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। তাই নিরাপত্তা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে পরীক্ষার স্বচ্ছতা, সর্বোত ভাবে মধ্যমিক পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নেওয়ার ক্ষেত্রে, এবার প্রথম থেকেই উদ্যোগ নিয়েছে পর্ষদ। প্রশ্নপত্র রুখতে এবার প্রশ্নপত্রে ‘ম্যাজিক নম্বর’ বা ইউনিক আইডির ব্যবহার করছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
প্রশ্নপত্রের প্রতিটি পাতায় ক্রমিক নম্বরের QR কোড লুকনো রয়েছে। কোনও পরীক্ষার্থী প্রশ্নপত্রের ছবি তুললে সেই ছবি দেখে একবারেই বোঝা যাবে, যে কে ছবিটি তুলেছে। ছবি তুললে, QR CODE-ই ছবি তোলার ব্যক্তির সন্ধান বের করে দেবে। এই নতুন ব্যবস্থা ভেঙে মালদহের দুই পরীক্ষার্থী প্রশ্নফাঁসে জড়িয়ে পড়ে।
এদিন মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার এক ঘন্টা আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে। তদন্তে, মালদহের দুই পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা ও মাধ্যমিক রেজিস্ট্রেশন বাতিল করেছে পর্ষদ বলে জানা গিয়েছে।
