খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
৮০ হাজার টাকার বিনিময়ে সন্তানকে বিক্রির অভিযোগ খোদ বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে। যদিও বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেন শিশুর মা। তাঁর বক্তব্য, শিশুটিকে বিক্রি করা হয়নি। সংসারে অভাব ছিল সেই কারণে এক আত্মীয়কে রাখতে দিয়েছিলেন তিনি। বিক্রির অভিযোগ ওঠার পর শিশুকে নিয়ে আসা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর শিলিগুড়ির ডিএস কলোনীর বাসিন্দা এক দম্পতির সন্তান হয়। শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে সন্তান প্রসব করেন ওই গৃহবধূ। অভিযোগ, আগের দুই সন্তান থাকায় এই শিশুটিকে রাখতে চায়নি তারা। তাই হাসপাতাল থেকেই দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করে সন্তানের বাবা। এরপর ৮০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিহারের এক নি:সন্তান দম্পতির কাছে শিশুটিকে বিক্রি করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ওই মহিলা বাড়িতে ফেরার পর বিষয়টি জানাজানি হতেই এনজেপি থানা পুলিশের কাছে খবর যায়। জলপাইগুড়ি জেলা ডিসিপিও এর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ শিশুর বাবাকে আটক করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দালালের নাম সামনে আসে। বাবাকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়ে দালালকে আটক করা হয়। দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই গোটা ঘটনা সামনে আসে। এরপরই গ্রেফতার করা হয় দুজনকে।
ধৃত দুজনের বয়ানের ভিত্তিতে এনজেপি থানার পুলিশ বিহারে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে। যদিও এনজেপি থানায় শিশুর মা দাবী করেন, সন্তানকে বিক্রি করা হয়নি। সন্তানের জন্ম হওয়ার পরই সে অসুস্থ হয়ে যায়। সেকারণে বিহারে এক আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠানো হয়েছিল। মিথ্যে মামলায় আমার স্বামীকে ফাঁসানো হয়েছে বলে জানায় মহিলা। বর্তমানে সেই নবজাতক শিশুটিকে উদ্ধার করে সিডব্লিউসি’র হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ ঘটনার তদন্তে পুলিশ।
