খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
অবশেষে পুলিশের জালে গ্রেপ্তার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। বিঘার পর বিঘা জমি ও ভেড়ি দখল, নারী নির্যাতন-সহ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে পাহাড় প্রমাণ অভিযোগ রয়েছে গ্রামবাসীদের। সূত্রের খবর, সন্দেশখালির বেড়মজুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় শেখ শাহজাহানকে। লঞ্চে করে আনা হয় ন্যাজাটে। সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হবে বসিরহাট মহকুমা আদালতে। জানা গিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করবে পুলিশ।
গত ৫ জানুয়ারি তাঁর খোঁজে সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার বাড়িতে যান ইডি (ED) আধিকারিকরা। মারধর করা হয় ইডি আধিকারিকদের। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গাড়িতেও করা হয়েছিল ভাঙচুর। এরপর থেকে খোঁজ মিলছিল না শেখ শাহজাহানের। শাহজাহান গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভের পারদ ক্রমশ বাড়তে থাকে। জন আন্দোলনে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সন্দেশখালির গ্রামের পর গ্রাম। বাধ্য হয়ে ১৪৪ ধারাও জারি করা হয়।
সম্প্রতি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Abhishek Banerjee) দাবি করেছিলেন, আদালত হাত-পা বেঁধে রাখায় শেখ শাহজাহানকে গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না। অবশ্য কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানায় শেখ শাহজাহানকে পুলিশের গ্রেপ্তারিতে কোনও বাধা নেই। আদালতের রায়ের পরই তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ এক সপ্তাহের মধ্যে গ্রেপ্তারির ডেডলাইন বেঁধে দেন। আর সেই ডেডলাইনের মধ্যেই গ্রেপ্তার হলেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান।
