খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
![]() |
| ছবি বাংলাদেশ সংবাদ মাধ্যম থেকে সংগৃহীত |
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রবিবার রাতে দুটি বুনো হাতি বৈকন্ঠপুর জঙ্গল থেকে বেরিয়ে বেশ কয়েকটি গ্রাম পেরিয়ে রাজগঞ্জের (Rajganj) মগরাডাঙ্গি এলাকায় পৌঁছায়। পরের দিন সোমবার সারাদিন সেখানে একটি তুত বাগানে থাকে। তুত বাগানেও হাতী দেখতে সারাদিন মানুষের ভির লেগেই থাকে। ঘটনার পাহারায় ছিল বনদপ্তরের আধিকারিকরা, রাতে সেখান থেকে ফের রওনা দেয় দুই হাতি। তবে পথ ভুলে চলে যায় ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের হুদুগছ এলাকায়।
মঙ্গলবার প্রায় ভোরের দিকে পূর্ণা গাডারার সীমান্ত এলাকায় হাতি দুটি দাপিয়ে বেড়ানোর পর, সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে (Bangladesh) ঢুকে পড়ে বলেই খবর। তবে রাজগঞ্জ (Rajganj) ব্লকে এই দুইদিন হাতি দুটি কারো প্রাণহানি না করলেও কিছু জমির ফসল ও বাড়ির ক্ষতি করেছে। আজ সকালে খবর পেয়ে সীমান্ত এলাকায় পৌঁছান বনদপ্তরের পদস্থ আধিকারিকেরা। হাতি দুটি ওপারে চলে যাওয়ায় ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা চালাচ্ছেন।
অন্যদিকে, ওপারে দক্ষিণ কাশিমগঞ্জ এলাকায় হাতি দুটি একটি ভুট্টা খেতে আশ্রয় নেওয়ায় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হাতিগুলো একটি গরুকে আছাড় ও অন্য একটি গরুকে আঘাত করে। এছাড়াও দক্ষিণ কাশিমগঞ্জ এলাকায় ফসলের সামান্য ক্ষতি করলেও কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলেই বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর। খবর পেয়ে বাংলাদেশের বনবিভাগ, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। হাতি গুলোকে কেউ যাতে কোনও বিরক্ত না করে সেব্যাপারে তারা সতর্ক করে চলেছেন। এদিকে হাতি দুটিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা চালাচ্ছেন বনদপ্তর।
