খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
অনুপম রায়, জলপাইগুড়ি: রবিবার রাত্রেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার টর্নেডো বিধ্বস্ত জলপাইগুড়িতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। জানা গিয়েছে ইতিমধ্যে বাগডোগরায় পৌঁছেছেন তিনি। এর পর সড়কপথে রওনা হয়েছেন জলপাইগুড়ি উদ্দেশে। "আরো জানা গিয়েছে বিপর্যয় বিধ্বস্ত এলাকায় যাওয়ার কথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরও।"
গতকাল রবিবার বিকেল সাড়ে ৩ টের ঝড়ের দাপটে জলপাইগুড়িতে মৃত্যু হয়েছ ৫ জনের। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬৪ জন। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে সূত্রের খবর। সেই দুর্যোগের খবর পেয়েই রাতেই জলপাইগুড়িতে ছুটে আসেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
দেখা করেন এক নিহতের পরিবারের সঙ্গে। আজ, সোমবার সকালেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও। এদিকে, বাংলার দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। রাতেই তিনি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে উদ্বেগ ও দুঃখ প্রকাশ করেন। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকা ও সাহায্য করার নির্দেশ দেন বিজেপির কার্যকর্তাদের।
ঝড়বৃষ্টিতে মৃত্যুর খবর পেয়েই ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এক নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “আমি দেখলাম ভয়াবহ ঝড়টা এসেছিল। ক্ষতি কোচবিহারেও হয়েছে, আলিপুরদুয়ারেও হয়েছে। কিন্তু জলপাইগুড়ির ক্ষতিটা হল, ৫ জন মারা গিয়েছেন। একটি বাচ্চাকে নিয়ে আসা হচ্ছে রাতেই। আরেকজনকে উত্তরবঙ্গ হাসপাতালে শিফট করা হচ্ছে। কাল বিকালে অভিষেক আসবে, দেখে নেবে। রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ পাশে আছে।”
এদিকে রাতে পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। তিনি লেখেন, “জলপাইগুড়ি-ময়নাগুড়িতে ঝড়বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্তদের এবং যারা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আমি আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছি, যারা ঝড়-বৃষ্টিতে প্রভাবিত হয়েছেন, তাদের সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছি। আমি বিজেপির কার্যকর্তাদেরও বলছি ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করুন।”
