খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
সিকিমের বন্ন্যা নিশ্চই মনে আছে? হ্যাঁ সেই থেকেই শুরু মূল ঝামেলা! কারণে সেই বন্যার জলে ভেসে আসা পলি এখন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে নৌকা চালকদের। সেই পলি ভেসে উঠেছে। জলে নামলেই বসে যাচ্ছে পা, তিস্তা ব্যারেজ থেকে জল ক্যানেলে ছাড়া বন্ধ হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন একাধিক নৌকা চালকেরা। যার জেরে ফের বন্ধ অবস্থায় নৌকা বিহার। গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে এই নিয়ে হতাশ পর্যটক মহল। একই সঙ্গে চরম বেকায়দায় পড়েছে নৌকা চালক ও মৎস্যজীবীরা। তারা বন ও পর্যটন দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
নৌকা চালক নিমাই মন্ডল বলেন ভোরের আলোর এই ঝিলে চলাচল করে প্রায় ১০০ টি নৌকা। তিস্তা নদী থেকে ক্যানেলের জল বন্ধ হয়েছে। পাশাপাশি প্রচন্ড গরম। সেরকম বৃষ্টিও হচ্ছে না। জলে নৌকা চালানো যাচ্ছেনা, জলে নামলেই পা পলিতে ভেসে যাচ্ছে। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে এমন পরিস্থিতি চলছে। কিভাবে সংসার চালাবো তা বুঝতে পারছি না। প্রায় সাত মাস আগে সিকিমের হ্রদ বিপর্যয়ের যে তিস্তা নদী ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে।।সেই সময় ব্যারাজের গাইড বাঁধ ভেঙ্গে গিয়ে প্রবেশ করে তিস্তার পলি। সেসময়ও বেশ কিছুদিন নৌকা বিহার বন্ধ ছিল। নৌকা চালকদের দাবি যদি, কিছুদিনের মধ্যে তিস্তা থেকে জল ছাড়ার পর আবার সচল হয় ঝিল। ফের সেই একই সমস্যা। জল স্তর কমে যাওয়ায় এবং পলির ফাঁসে নৌকা বিহার বন্ধ।
