খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
একবার দু-বার নয় বরং একটি বাইকের নম্বরেই বার বার ট্রাফিক আইন ভাঙার জরিমানার কেস আসছিল পুলিশের কাছে। পুলিশের মনে উঠে আসছিল একাধিক প্রশ্ন। একই প্রশ্ন ওই মহিলার মনেও। কারণ তার ফোনে একের পর এক ই-চালান আসতে থাকে। কিন্তু কে এই কান্ড ঘটাচ্ছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে পুলিশ এবং মহিলা কার্যত হতবাক হয়ে যান। কারণ দেখা যায় যে ওই মহিলার স্বামীই এই ঘটনা ঘটিয়ে চলেছেন। জানা গিয়েছে, ওই দম্পতির মধ্যে সম্পর্ক ক্রমশ তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। চলছিল বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও। এরপরই রাগের মাথায় আজব কাণ্ড ঘটান ওই ব্যক্তি। তিনি বাইক নিয়ে বারবার ট্রাফিক নিয়ম ভাঙতে শুরু করেন।
যেহেতু বাইকটি স্ত্রীয়ের নামে নথিভুক্ত করা সেই কারণে সমস্ত ট্রাফিক সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি স্ত্রীর ফোনে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ওই মহিলা জরিমানা পরিশোধও করেন। এরপর বাধ্য হয়েই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহিলা। তিনি সেখানে জানান যে স্বামী ইচ্ছাকৃতভাবে বাইক ব্যবহার করে ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘন করতে শুরু করেন। যার ফলে তাঁর নামে একাধিক জরিমানার চালান ইস্যু হয়। এরপর তাঁর নামে কেনা বাইকটি ফেরত চাইলে তা-ও দিতে অস্বীকার করেন স্বামী। জানিয়ে দেন, বিবাহবিচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত বাইক ফেরত দেবেন না। শেষপর্যন্ত মহিলাটি ট্রাফিক পুলিশের কাছে সাহায্য চান। এই ঘটনার সত্যতা প্রসঙ্গে মামলা নিশ্চিত করে ইন্ডিয়া টু-ডে-কে স্টেশন হাউস অফিসার রবি গুপ্তা বলেন, জরিমানা সম্পর্কে মহিলা এবং তার পরিবারের কাছ থেকে পুলিশ একটি অভিযোগ পেয়েছে। "বিষয়টি তদন্তাধীন", এমনটাই জানান হয়েছে পুলিশের তরফে।
