খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
![]() |
| Stranger Things Season 5: How did the actors look young again? |
“স্ট্রেঞ্জার থিংস”–এর পঞ্চম সিজন এখন নেটফ্লিক্সে চলছে। ডাফার ব্রাদার্স পরিচালিত এই সিজনে মিলি ববি ব্রাউন, ফিন উল্ফহার্ড, নোয়া শনাপসহ সবাই ফিরে এসেছে। নতুন ঘটনার পাশাপাশি এখানে আগের সিজনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তও দেখানো হয়েছে। এসব ফ্ল্যাশব্যাক ঠিকভাবে তুলে ধরতে অভিনেতাদের আগের মতো বয়স কম দেখানো দরকার পড়েছে। আর তা করতে ব্যবহৃত হয়েছে ডিজিটাল ডি-এজিং প্রযুক্তি।
কেন ডি-এজিং ব্যবহার করা হলো?
সিরিজটি শুরু হয়েছিল প্রায় নয় বছর আগে। তখন যারা কিশোর ছিল, তারা এখন স্বাভাবিকভাবেই অনেক বড় হয়ে গেছে। কিন্তু গল্পে যখন সিজন ১–এর সময়কার দৃশ্য দেখাতে হয়, তখন অভিনেতাদের তখনকার মতোই দেখতে লাগে।
উদাহরণ হিসেবে নোয়া শনাপের চরিত্র উইল বাইয়ার্স–কে ধরুন। সিজন ৫–এ তার একটি দৃশ্যে তাকে ১০–১১ বছরের মতো দেখাতে হয়েছিল, যদিও তার আসল বয়স এখন ২১। এজন্য প্রথমে আরেক তরুণ অভিনেতাকে দিয়ে দৃশ্যটি অভিনয় করানো হয়, তারপর ভিএফএক্স দল তার মুখের জায়গায় নোয়ার ছোটবেলার ডিজিটাল মুখ বসিয়ে দেয়। মিলি ববি ব্রাউনকেও সিজন ৪–এ একইভাবে ছোট দেখানো হয়েছিল। সিজন ৫–এ আরও কে কে এভাবে ডি-এজিং হবে, সেটা এখনো জানা যায়নি।
ডি-এজিং প্রযুক্তি কীভাবে জনপ্রিয় হলো?
হলিউডে ডি-এজিং ব্যবহার শুরু হয় প্রায় ২০ বছর আগে। প্রথম বড় ব্যবহারের উদাহরণ হলো “X-Men: The Last Stand” (২০০৬)—এখানে দুই প্রবীণ অভিনেতাকে তরুণ দেখানো হয়েছিল।
এরপর “Benjamin Button” (২০০৮) ছবিতে ব্র্যাড পিটকে ছোট থেকে বুড়ো—সব রূপ দেখাতে উন্নত CGI ব্যবহার করা হয়, যা প্রযুক্তিটির জনপ্রিয়তা বাড়ায়।
পরে মার্ভেল সিনেমাগুলোতে এই প্রযুক্তি আরও বেশি ব্যবহৃত হয়—
“Captain Marvel”–এ স্যামুয়েল এল. জ্যাকসনকে ২৫ বছর কম বয়সী দেখানো
“Ant-Man”–এ মাইকেল ডগলাসের তরুণ রূপ
“Captain America”–এ স্টিভ রজার্সের আগের বয়স
সবই হয়েছে ডি-এজিং প্রযুক্তির সাহায্যে।
ডি-এজিং আসলে কী করে?
এটা খুব সূক্ষ্ম এক ডিজিটাল প্রক্রিয়া। কম্পিউটার গ্রাফিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর ভিএফএক্স ব্যবহার করে মুখের ভাঁজ মুছে ফেলা, ত্বক মসৃণ করা, মুখের গঠন একটু বদলানো, আলো–ছায়া ঠিক করা! এসব করে অভিনেতাকে কম বয়সী দেখানো হয়। মেকআপে এসব করা সম্ভব না, কিন্তু ডিজিটাল টুল পারফরম্যান্স নষ্ট না করেই এসব পরিবর্তন করতে পারে। তাই ডি-এজিং এখন চলচ্চিত্রে খুব সাধারণ একটা প্রযুক্তি হয়ে গেছে।
