খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
![]() |
| ছবি: সংগ্রহীত |
কখন পৌঁছাল মরদেহ?
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দুপুর ২টোয় সিঙ্গাপুর থেকে বিমানটি রওনা দেয়। বিকেল ৫টা ৪৮ মিনিটে সেটি ঢাকায় অবতরণ করে। বিমানবন্দর চত্বরে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট দিয়ে মরদেহ বের করে সোজা মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা!
ইউনূস প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার দুপুর ২টোয় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সেখানে কোনো প্রকার ব্যাগ বা ভারী বস্তু বহন না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া, অনুষ্ঠানস্থলের আশেপাশে ড্রোন ওড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।
যেভাবে হামলার শিকার হন হাদি!
বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বিশরিফ ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। গত বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় নামাজ শেষে রিকশায় বাড়ি ফেরার পথে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানেই বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুর খবরে উত্তপ্ত ঢাকা!
বুধবার থেকেই হাদির শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা জানিয়েছিল প্রেস উইং। বৃহস্পতিবার তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রিপোর্ অনুযায়ী, এই ঘটনার জেরে একাধিক সংবাদমাধ্যমের অফিস এবং ধানমন্ডিতে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বাসভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এছাড়া, সহিংসতার জেরে এক যুবকের প্রাণহানি এবং তার মরদেহে আগুন দেওয়ার মতো মর্মান্তিক ঘটনার খবরও পাওয়া গেছে।
