স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে অস্বস্তিতে রাজগঞ্জের বিডিও, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের - Khabar Banga | খবর বঙ্গ! - Breaking News! Latest News in Bengali! Today News Jalpaiguri! স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে অস্বস্তিতে রাজগঞ্জের বিডিও, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে অস্বস্তিতে রাজগঞ্জের বিডিও, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

Monday, December 22, 2025
..
🎙️
খবরটি শুনুন অডিও সংস্করণ
 Gold trader's murder, HC orders BDO to surrender within 72 hours
নিউটাউনের দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা খুনের ঘটনায় এবার বড়সড় বিপাকে পড়লেন জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও অভিযুক্ত প্রশান্ত বর্মণ। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের পক্ষ থেকে তাঁর আগাম জামিন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিডিও-কে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

ঠিক কী ঘটেছিল?

সূত্রের খবর, গত ২৯ অক্টোবর নিউটাউনের যাত্রাগাছির খালধার থেকে নিখোঁজ স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুর থানার দিলমাটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওই ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার তদন্তে নেমে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগ জানতে পারে এই খুনের নেপথ্যে প্রভাবশালী যোগ রয়েছে। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে সরাসরি রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়।

নিম্ন আদালতের জামিন খারিজ:

জানা গিয়েছে, এই মামলায় গ্রেফতারি এড়াতে প্রথমে বারাসত আদালত এবং পরবর্তীতে বিধাননগর আদালত থেকে আগাম জামিন পেয়েছিলেন অভিযুক্ত বিডিও। তবে তদন্তকারী পুলিশ বিভাগ সেই জামিনের বিরোধিতা করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। এদিন শুনানির সময় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, খুনের মতো গুরুতর অভিযোগে জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে নিম্ন আদালত প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখেনি। গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ উপেক্ষা করেই জামিন দেওয়া হয়েছিল বলে পর্যবেক্ষণ আদালতের। আর সেই কারণেই নিম্ন আদালতের আগের নির্দেশ এদিন খারিজ করে দেয় উচ্চ আদালত।

তদন্তের গতিপ্রকৃতি:

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বপন কামিল্যা হত্যাকাণ্ডে এপর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে মূল অভিযুক্ত হিসেবে যাঁর নাম উঠে আসছে, সেই প্রশান্ত বর্মণ গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছিল নিহতের পরিবার। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছেন রাজগঞ্জের বিডিও। তাঁর দাবি, তাঁকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত সত্যের জয় হবে।

তবে হাইকোর্টের এই কড়া নির্দেশের পর বিডিও-র পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে ওয়াকিবহাল মহলের। রাজগঞ্জের প্রশাসনিক মহলেও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।