‘অপারেশন সিন্দুর’-এর সেই লড়াকু মুখ কর্নেল সোফিয়া কুরেশিকে বিশেষ সম্মান মোদী সরকারের - Khabar Banga | খবর বঙ্গ! - Breaking News! Latest News in Bengali! Today News Jalpaiguri! ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর সেই লড়াকু মুখ কর্নেল সোফিয়া কুরেশিকে বিশেষ সম্মান মোদী সরকারের

‘অপারেশন সিন্দুর’-এর সেই লড়াকু মুখ কর্নেল সোফিয়া কুরেশিকে বিশেষ সম্মান মোদী সরকারের

Monday, January 26, 2026
..
🎙️
খবরটি শুনুন অডিও সংস্করণ
ভারতীয় সেনার কর্নেল সোফিয়া কুরেশি
নয়াদিল্লি: বিশ্বমঞ্চে ভারতের শক্তি এবং কৌশলগত জয়গাথা তুলে ধরার স্বীকৃতি পেলেন কর্নেল সোফিয়া কুরেশি (Colonel Sophia Qureshi)। 'অপারেশন সিন্দুর'-এর (Operation Sindur) মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানের নেতিবাচক ভূমিকা সফলভাবে উন্মোচন করায় তাকে বিশিষ্ট 'সেবা পদক' দিয়ে সম্মানিত করছে মোদী সরকার।

প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে বিশেষ ঘোষণা ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের (77th Republic Day) পুণ্যলগ্নে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সশস্ত্র বাহিনীর পদক প্রাপকদের যে তালিকা অনুমোদন করেছেন, সেখানে কর্নেল কুরেশির নাম বিশেষভাবে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। ২০২৫ সালে পাকিস্তানে সক্রিয় সন্ত্রাসীদের দমনে পরিচালিত 'অপারেশন সিন্দুর' চলাকালীন তিনি ভারতের অন্যতম প্রধান মুখ হয়ে উঠেছিলেন।

আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের জয়গান সূত্রের খবর, ওই অভিযানের সময় অত্যন্ত সংযত অথচ দৃঢ় উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি বিশ্ব সংবাদমাধ্যম ও কূটনৈতিক স্তরে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন। বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রির প্রাথমিক বিবৃতির পর, কর্নেল সোফিয়া কুরেশি এবং বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিং (Wing Commander Byomika Singh) যৌথভাবে অভিযানের বিস্তারিত কৌশল ব্যাখ্যা করেছিলেন।

পদক ও বীরত্ব সম্মান জানা গিয়েছে, এ বছর সশস্ত্র বাহিনীর মোট ৭০ জন সদস্যকে বীরত্বের পুরস্কার (Gallantry Awards) প্রদান করা হচ্ছে, যার মধ্যে ৬টি মরণোত্তর সম্মানও রয়েছে। এছাড়া সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের জন্য সর্বমোট ৩০১টি সামরিক পদক অনুমোদিত হয়েছে।

এক নজরে কর্নেল কুরেশির কর্মজীবন

জন্ম: ১৯৭৪ সালে গুজরাটের ভদোদরার (Vadodara, Gujarat) এক সামরিক পরিবারে।

প্রশিক্ষণ: চেন্নাইয়ের অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমি (OTA Chennai) থেকে সামরিক জীবনের পথ চলা শুরু।

অপারেশন পরাক্রম: ২০০১ সালে সংসদে জঙ্গি হামলার পর পাঞ্জাব সীমান্তে পরিচালিত 'Operation Parakram'-এ তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

শান্তিরক্ষা অভিযান: ২০০৬ সাল থেকে দীর্ঘ ছয় বছর কঙ্গোতে (Congo) রাষ্ট্রসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের (UN Peacekeeping Mission) গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন তিনি।

এদিন নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে কর্নেল কুরেশি জানান, সংঘাতের মাঝে দাঁড়িয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই ছিল তার জীবনের অন্যতম গর্বের মুহূর্ত। নির্ভীক এই সেনা আধিকারিকের সম্মানপ্রাপ্তিতে খুশির হাওয়া প্রতিরক্ষা মহলে।