খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
সূত্রের খবর, এদিন বেলা ১২টা থেকে ১টার মধ্যেই বেহালা ফ্লাইং ক্লাব থেকে কপ্টারে চেপে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বীরভূমে পৌঁছনোর কথা ছিল। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, প্রথমে তারাপীঠে পুজো দিয়ে, তারপর সভামঞ্চে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পরেও কপ্টার ওড়ার অনুমতি মিলছিল না বলে দাবি ঘাসফুল শিবিরের। দলীয় নেতৃত্বের অভিযোগ, প্রচার আটকাতেই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে কাজে লাগিয়ে এই ষড়যন্ত্র করেছে গেরুয়া শিবির।
তবে অনুমতি না মিললেও পিছিয়ে আসেননি ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। জানা যায়, তড়িঘড়ি যোগাযোগ করা হয় ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) সঙ্গে। তাঁর সৌজন্যেই ঝাড়খণ্ড সরকারের কপ্টার এসে পৌঁছয় এবং তাতে চেপেই বীরভূমে পা রাখেন অভিষেক। সভায় পৌঁছাতে প্রায় দুই ঘণ্টা দেরি হয়, তবে মঞ্চে উঠে চড়া সুরেই বিরোধীদের বিঁধেছেন তিনি। এদিন অভিষেক বলেন, “আমার আসতে ২ ঘণ্টা দেরি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বাংলা বিরোধী জমিদারদের যা জেদ, তার দশ গুণ জেদ আমার। তাই ঠিক এসে পৌঁছেছি। আমরা কোনও ধমকানি-চমকানি বা ষড়যন্ত্রের কাছে নতিস্বীকার করি না।”
সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বীরভূমের মাটি থেকে বিজেপিকে কড়া বার্তা দিলেন অভিষেক। তাঁর কথায়, ভোট ঘোষণার আগেই যদি বিরোধীরা এমন চক্রান্ত শুরু করে, তবে সাধারণ মানুষই তার যোগ্য জবাব দেবে। বীরভূমে দলের আধিপত্য বজায় রাখার ডাক দিয়ে তিনি বলেন, “যতই হামলা করো, আবার জিতবে বাংলা।”
উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বীরভূমের সবক’টি আসনেই জয়লাভ করেছে তৃণমূল। সেই সাফল্যের ধারা বজায় রেখেই এদিন দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে স্পষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেন অভিষেক। তিনি জানান, আসন্ন বিধানসভা ভোটে বীরভূমে স্কোর হতে হবে ‘১১-০’। রাজনৈতিক মহলের মতে, কপ্টার বিতর্ককে সামনে রেখে অভিষেক এদিন বুঝিয়ে দিলেন, হাজার প্রতিকূলতার মধ্যেও তৃণমূল তাদের লড়াইয়ের ময়দান ছাড়বে না।
