খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ

উৎসবের বিশেষ কিছু দিক:
* হ্যাপি স্ট্রিট: শহরবাসীকে আনন্দ দিতে আয়োজন করা হয়েছে জমজমাট 'হ্যাপি স্ট্রিট'। সকাল থেকেই সেখানে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে।
* শিশুদের বিনোদন: ছোটদের জন্য রয়েছে মিকি মাউসসহ বিভিন্ন কার্টুন চরিত্র। এছাড়াও সৃজনশীল খেলার সামগ্রী খুদেদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
* সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য: উৎসবের মঞ্চে অসমের বিহু থেকে শুরু করে রাজস্থানের লোকনৃত্য— বিভিন্ন প্রদেশের সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটেছে।
* খাদ্য সম্ভার: রসনাবিলাসীদের জন্য রয়েছে উত্তরবঙ্গের নামী চা-স্টল ও স্থানীয় হরেক রকমের মুখরোচক খাবার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও বিশেষ আকর্ষণ
সূত্রের খবর, জেলাশাসকের হাত ধরে ফিতে কেটে এই উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। জানা গিয়েছে, এই উৎসবে সাধারণ মানুষের জন্য 'জু' এবং নিজেদের অনুভূতি প্রকাশের জন্য বিশেষ 'মনের কথা দেওয়াল' তৈরি করা হয়েছে।
এদিন সকাল থেকেই উৎসবের মেজাজে ছিল গোটা জলপাইগুড়ি। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই উৎসব চলবে। সব মিলিয়ে আট থেকে আশি— সব বয়সের মানুষের উপস্থিতিতে জলপাইগুড়ি উৎসব এখন বিনোদনের প্রধান ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।