খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
পারিবারিক সূত্রে খবর, বুধবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত বিএলও-র স্বামীর অভিযোগ, এসআইআর-এর কাজের প্রচণ্ড চাপ ছিল তাঁর স্ত্রীর ওপর। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল তীব্র শীত। এই দুইয়ের জেরেই গত কয়েকদিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। চিকিৎসকের তরফে তাঁকে বিশ্রামের পরামর্শ দেওয়া হলেও কাজের চাপে তিনি বিশ্রাম নিতে পারেননি। অভিযোগ, অসুস্থ শরীর নিয়েই তাঁকে এসআইআর-এর কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছিল। যার ফলেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিন এই দুঃসংবাদ পাওয়ার পরই মৃত বিএলও-র বাড়িতে ছুটে যান স্থানীয় ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার গায়ত্রী ঘোষ। তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। গায়ত্রী দেবীর অভিযোগ, ‘নির্বাচন কমিশনের দেওয়া অতিরিক্ত কাজের চাপের ফলেই বিএলও-রা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। যার করুণ পরিণতিতেই এই মৃত্যু।’
তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এ বিষয়ে বিজেপির দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘যে কোনও মৃত্যুই অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে সব দায় একতরফাভাবে নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপিয়ে দিলে হবে না।’ তিনি পাল্টা অভিযোগ করে জানান, তৃণমূলের জনপ্রতিনিধি বা নেতৃত্বে যাঁরা আছেন, তাঁরাও বিএলও-দের ওপর নানাবিধ চাপ সৃষ্টি করছেন। আর সেই কারণেই এই ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে তাঁর দাবি।
