খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বিপর্যয়ের কবলে একাধিক প্রদেশ
আফগানিস্তানের জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের মুখপাত্র মহম্মদ ইউসুফ হাম্মাদ জানিয়েছেন, গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই দুর্যোগে দেশের মধ্য, উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিম প্রান্তের জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে শোচনীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পশ্চিম হেরাট প্রদেশের কাবকান জেলায়। স্থানীয় সূত্রের খবর, গত বৃহস্পতিবার ভারী বর্ষণের জেরে একটি বাড়ির ছাদ ধসে পড়লে একই পরিবারের পাঁচজন সদস্য প্রাণ হারান। মৃতদের মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও উদ্ধারকাজ
প্রকৃতির এই তাণ্ডবে শুধুমাত্র জনজীবন নয়, ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে কৃষি ও পশুপালন ব্যবস্থাও। বানের জলে ভেসে গিয়েছে প্রচুর গবাদি পশু। এছাড়া রাস্তাঘাট ও ব্রিজের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ভেঙে পড়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী:প্রায় ১,৮০০ পরিবার সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।জলের তোড়ে বহু মাটির বাড়ি ধসে পড়ায় গৃহহীন হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।দুর্গম এলাকাগুলোতে উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর চেষ্টা করলেও, প্রতিকূল আবহাওয়া বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরেই একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিদ্ধস্ত এই দেশ। ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে পাকিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন নানগড়হর ও কুনার প্রদেশে ৬.০ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে ১,৪০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। গত বছরের দীর্ঘ অনাবৃষ্টির পর বছরের শেষে পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাত শুরু হলেও, বর্তমানের এই অতিবৃষ্টি নতুন করে বিপদ ডেকে এনেছে।
