ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব নিয়ে বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু তৃণমূলের, নিশানায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার
সুপ্রিম কোর্টে SIR-শুনানি চলাকালীন জাতীয় রাজনীতিতে বড়সড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এবার ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব বা অভিশংসন প্রস্তাব আনতে উদ্যোগী হয়েছে বিরোধী শিবির। এই বিষয়ে বিরোধী দলগুলির সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের আলোচনা শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদিন জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আইনি ও সংসদীয় পথে লড়াই আরও জোরদার করতেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গতকাল থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল, তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সক্রিয় আলোচনার মাধ্যমে সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। সংসদের অন্দরে এই প্রস্তাব পেশ করার লক্ষ্যে সমমনোভাবাপন্ন দলগুলোকে একজোট করার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আইনি বৈধতা নেই এমন মাইক্রো অবজার্ভারদের সরানোর দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, কমিশনকে চিঠি
রাজ্য রাজনীতিতে ফের শোরগোল। আইনি বৈধতা ছাড়া নিয়োগ করা মাইক্রো অবজার্ভারদের (Micro Observers) অবিলম্বে তুলে নেওয়ার আর্জি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এদিন এই মর্মে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। ঠিক কী কারণে ‘লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি’র (Logical Discrepancies) তালিকায় নাম রয়েছে, কমিশনকে তা স্পষ্ট করে জানানোর দাবি তোলা হয়। সূত্রের খবর, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ইআরও-দের (ERO) কাজে যাতে মাইক্রো অবজার্ভাররা কোনোভাবেই হস্তক্ষেপ না করেন, সেই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, আইনি ভিত্তিহীন মাইক্রো অবজার্ভারদের নেওয়া সমস্ত সিদ্ধান্তকে বেআইনি (Illegal) ঘোষণা করার আর্জি জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল থেকেই এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে কমিশনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখনও কোনো পাল্টা প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ইসিআই (ECI) বা নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই যেন সমস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, সেই বিষয়েই মূলত জোর দেওয়া হয়েছে এই আবেদনে।
সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল মমতার
শুনানিতে সুযোগ দেওয়ার জন্য বিচারপতিদের ধন্যবাদ জানালেন মমতা। আমরা জাস্টিস পাচ্ছিনা। আমি ছটা চিঠি লিখেছি জাতীয় নির্বাচন কমিশন কে। কিন্তু কোন রিপ্লাই পাইনি। আমি সাধারণ মানুষ। হয়তো কম গুরুত্বপূর্ণ। প্রধান বিচারপতি বলছেন, রাজ্য সরকার কেস ফাইল করেছে। কপিল সিবল নিজে কেস লড়ছেন।
SIR মামলায় বড় আর্জি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, ভোটার তালিকায় সংশোধনের দাবি
SIR মামলায় এবার গুরুত্বপূর্ণ আর্জি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জানা গিয়েছে, ২০০২ সালে ম্যাপিং না থাকার কারণে যে সমস্ত ভোটাররা তালিকায় স্থান পাননি, তাঁদের আরও একবার সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। এদিন স্পষ্ট জানানো হয়, লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি (Logical Discrepancy) থেকে সরিয়ে তাঁদের তথ্য সংশোধনের ন্যায্য সুযোগ দেওয়া উচিত। সূত্রের খবর, শুধুমাত্র বানান ভুলের কারণে লজিকাল ডিসক্রিপেন্সিতে প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব, সাধারণ মানুষের হাতের কাছে থাকা নথির সাহায্য নিয়েই যেন দ্রুত এই বানান ভুল সংশোধনের কাজ করা হয়। তবে এই আর্জি আদালত বা সংশ্লিষ্ট বিভাগ কীভাবে গ্রহণ করে, এখন সেটাই দেখার।
