১৫ অগাস্ট থেকে মাসে ১৫০০ টাকা বেকার ভাতা, বড় ঘোষণা ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পের
এদিন বিধানসভায় অন্তর্বর্তী বাজেটে বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য 'বাংলার যুব সাথী' (Banglar Jubo Sathi) প্রকল্পের ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, এই প্রকল্পের আওতায় বেকারদের প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, আগামী ১৫ অগাস্ট থেকে এই ভাতা প্রদান শুরু হবে এবং কর্মসংস্থান না হওয়া পর্যন্ত একজন আবেদনকারী সর্বাধিক ৫ বছর এই সুবিধা পাবেন। মাধ্যমিক উত্তীর্ণ ২১ থেকে ৪১ বছর বয়সী যুবক-যুবতীরাই এই ভাতার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন, তবে শর্ত থাকে যে আবেদনকারীকে রাজ্য সরকারের অন্য কোনো স্কলারশিপের আওতাভুক্ত হওয়া চলবে না। জানা যায়, ২০২৬-এর নির্বাচনের আগে ৫০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের এই প্রকল্প বেকারদের বড়সড় স্বস্তি দেবে।
নির্বাচনের আগে বড় ধামাকা! এবার বেকার ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের
এদিন বিধানসভায় ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য মাসিক ১৫০০ টাকা করে বেকার ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, আগামী ১৫ অগাস্ট থেকে এই ভাতা প্রদান শুরু হবে। এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে আবেদনকারীকে ন্যূনতম মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হতে হবে এবং বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪১ বছরের মধ্যে। গতকাল ও আজকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা যায়, বেকারদের আর্থিক সহায়তা দিতেই এই 'কল্পতরু' সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
আশাকর্মী, সিভিক ভলান্টিয়ার ও প্যারাটিচারদের বড় খবর! মাসিক ভাতা বাড়াল রাজ্য
এদিন বিধানসভায় পেশ করা অন্তর্বর্তী বাজেটে রাজ্যের অস্থায়ী কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করা হয়েছে। সূত্রের খবর, আশাকর্মী (Asha Workers), প্যারাটিচার (Para Teachers) ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) মাসিক ভাতা ১০০০ টাকা করে বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি জানা গিয়েছে, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদেরও (Anganwadi Workers) মাসিক বেতন ১০০০ টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে। গতকাল থেকেই এই বেতন বৃদ্ধি নিয়ে জল্পনা ছিল, যা আজ বাজেটে সরকারি সিলমোহর পেল। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশির হাওয়া কয়েক লক্ষ কর্মীর পরিবারে।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে বাড়ল ৫০০ টাকা, সরকারি কর্মীদের ৪ শতাংশ ডিএ ঘোষণা
এদিন বিধানসভায় রাজ্য সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেটে বড় ঘোষণা করা হয়েছে। সূত্রের খবর, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে মাসিক বরাদ্দ ৫০০ টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে জানা গিয়েছে, সাধারণ মহিলারা এখন থেকে মাসে ১০০০ টাকার পরিবর্তে ১৫০০ টাকা এবং এসসি-এসটি (SC/ST) মহিলারা ১২০০ টাকার বদলে মাসে ১৭০০ টাকা করে পাবেন। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের জন্য ৪ শতাংশ ডিএ (DA) বা মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল থেকেই এই বাজেট নিয়ে জল্পনা ছিল, তবে আজ এই জোড়া ঘোষণায় খুশির হাওয়া রাজ্যজুড়ে।
বড় ঘোষণা! লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ৫০০ টাকা করে বরাদ্দ বাড়াল রাজ্য সরকার
এদিন বিধানসভায় অন্তর্বর্তী বাজেট (Interim Budget) পেশের সময় রাজ্যের মহিলাদের জন্য খুশির খবর শোনানো হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্য সরকারের অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রকল্প 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার'-এ (Lakshmir Bhandar) মাসিক বরাদ্দের পরিমাণ আরও ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হলো।
'রাজ্যে মহিলা নির্যাতন বাড়ছে, বিপদে দেশ', বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী
এদিন বিধানসভার অধিবেশনে রাজ্য সরকারকে একাধিক ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সূত্রের খবর, রাজ্যপালের ভাষণ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন যে, রাজ্যপাল সরকারের হয়ে কোনো "অসত্য" ভাষণ দিতে চাননি বলেই খুব অল্প বলে চলে গিয়েছেন। অনুপ্রবেশ ইস্যু তুলে ধরে তিনি বলেন, "রাজ্যে যেভাবে রোহিঙ্গা (Rohingya) অনুপ্রবেশ বাড়ছে, তা দেশের নিরাপত্তার পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক।" জানা গিয়েছে, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এলেও ৫৫০ কিলোমিটার এলাকায় জমি হস্তান্তর বা আবেদনের কোনো সদুত্তর মেলেনি। সেই সঙ্গে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি অভিযোগ করেন যে, বর্তমানে রাজ্যে "মহিলা নির্যাতন বাড়ছে"। গতকাল ও আজকের রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেই শুভেন্দুর এই মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন চর্চা শুরু করেছে।
'বড় বড় সাইক্লোনে এক পয়সাও দেয়নি কেন্দ্র', বিধানসভায় বঞ্চনার অভিযোগে সরব মুখ্যমন্ত্রী
এদিন বিধানসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগে তীব্র আক্রমণ শানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, প্রাকৃতিক দুর্যোগে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, "রাজ্যে বড় বড় সাইক্লোন (Cyclone) হয়ে গেল, কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার এক পয়সাও সাহায্য করেনি।" জানা গিয়েছে, রাজ্যের একাধিক প্রকল্পের টাকা কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন। কেন্দ্রীয় অনুদান প্রসঙ্গে বিরোধীদের কড়া ভাষায় বিঁধে তিনি আরও বলেন, "কেন্দ্রের টাকা আপনাদের পকেটের টাকা না।" গতকাল ও আজকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, রাজ্যের সর্বত্র প্রাপ্য টাকা আটকে রেখে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
'দিল্লি চালাতে পারছেন না, এখানে বড় বড় কথা', বিধানসভায় বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর
এদিন বিধানসভায় বক্তব্য রাখার সময় বিরোধী দলগুলিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, বিরোধীদের চক্রান্তের রাজনীতির বিরুদ্ধে সরব হয়ে তিনি বলেন, "যত পারেন চক্রান্ত করুন, মানুষ আপনাদের ধিক্কার জানায়।" কেন্দ্রীয় সরকারের শাসন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি কটাক্ষ করেন যে, যারা ঠিকমতো দিল্লি চালাতে পারছেন না, তারা এখানে এসে বড় বড় কথা বলছেন। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ভাষণে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দাবি করেন যে, রাজ্য সরকার যেমন আইনি লড়াইয়ে জয়ী হয়েছে, তেমনি ভোটের ময়দানেও মানুষের সমর্থনে জয়লাভ করবে। গতকাল ও আজকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনেই তিনি বিরোধীদের "সুস্থ ও ভালো" থাকার পরামর্শ দিয়ে মনে করিয়ে দেন, "আমরা কোর্টে জিতি, ভোটেও জিতি; এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।"
'২০২৬-এ অনেক সিট হারাবেন', বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিরোধীদের কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
এদিন বিধানসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় বিরোধী শিবিরের উদ্দেশে তীব্র কটাক্ষ ছুড়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, আগামী বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি বলেন, "২০২৬-এ অনেক সিট হারাবেন জেনে রাখুন।" কেন্দ্রের শাসকদলকে নিশানায় রেখে তিনি দাবি করেন যে, যারা দিল্লি ঠিকমতো চালাতে পারছেন না, তারা এখানে বড় বড় কথা বলছেন। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ভাষণে স্পষ্ট জানান যে রাজ্য সরকার আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি ভোটের ময়দানেও জয়লাভ করে আসছে এবং আগামীতেও তার পরিবর্তন হবে না। গতকাল ও আজকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বিরোধীদের সুস্থ থাকার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দেন, "আমরা কোর্টে জিতি ভোটেও জিতি, এবারও তাই হবে।"
আবাস যোজনায় কেন্দ্র টাকা না দিলে রাজ্যই তৈরি করে দেবে বাড়ি, বিধানসভায় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
এদিন বিধানসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, কেন্দ্র টাকা না দিলেও রাজ্য সরকার থমকে থাকবে না, "আমরা নিজেরাই বাড়ি (Banglar Bari) তৈরি করে দেব।" সূত্রের খবর, আইনি ও রাজনৈতিক লড়াই প্রসঙ্গে তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান যে, রাজ্য সরকার যেমন কোর্টে জিতেছে, তেমনি ভোটেও জিতবে এবং আগামীতেও সেই ধারা বজায় থাকবে। এছাড়া আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড (Anandapur Fire) নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ঘটনার খবর পাওয়ামাত্রই তিনি ফিরহাদ হাকিম ও অরূপ বিশ্বাসকে ঘটনাস্থলে পাঠান। গতকাল ওই দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও জানা যায়।
ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান আমরা আমাদের টাকায় করছি, বিধানসভায় সরব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
এদিন বিধানসভায় বক্তব্য রাখার সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন। সূত্রের খবর, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান (Ghatal Master Plan) প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানান যে, রাজ্য সরকার নিজস্ব তহবিল থেকেই এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করছে। বিএসএফ-এর এক্তিয়ার বৃদ্ধি নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিএসএফ (BSF) ঢুকতে চায়, কিন্তু আমি তা হতে দেব না।" জানা গিয়েছে, রেল, বন্দর ও সেনার প্রয়োজনে রাজ্য সবসময় জমি দিয়ে সহযোগিতা করেছে। ভোটার লিস্ট ও কেন্দ্রীয় অনুদান প্রসঙ্গে বিরোধী পক্ষকে বিঁধে তিনি জানান, কেন্দ্রীয় টাকা কারও ব্যক্তিগত পকেটের নয়। গতকাল ও আজকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে তিনি আরও দাবি করেন, রাজ্য সরকার যেমন আইনি লড়াইয়ে জয়ী হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনেও মানুষের রায় তাদের পক্ষেই থাকবে।
বাজেট পেশের আগে উত্তপ্ত বিধানসভা, মাত্র সাড়ে ৪ মিনিট ভাষণ দিয়েই কক্ষত্যাগ রাজ্যপালের
বৃহস্পতিবার রাজ্য বাজেট (West Bengal Budget 2026) পেশের আগে নজিরবিহীন উত্তেজনা ছড়াল বিধানসভা ভবনে। সূত্রের খবর, এদিন অধিবেশন শুরু হলে রাজ্যপাল মাত্র ৪ মিনিট ৩০ সেকেন্ড ভাষণ দিয়ে কক্ষত্যাগ করেন। তবে বেরিয়ে যাওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রীর (CM Mamata Banerjee) সঙ্গে তাঁকে আলাদা করে দীর্ঘক্ষণ কথা বলতে দেখা যায়। এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা জানান, রাজ্য সরকারের তৈরি মিথ্যা ভাষণ না পড়ায় রাজ্যপালকে তাঁরা অভিনন্দন জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, এদিন জাতীয় সঙ্গীত শেষ হতেই বিজেপি বিধায়করা (BJP MLAs) 'ভারত মাতা কি জয়' স্লোগান দেন এবং পাল্টায় তৃণমূল বিধায়করা 'জয় বাংলা' স্লোগান দিতে শুরু করেন। এদিন বাজেট পেশকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে বিধানসভা চত্বর রীতিমতো সরগরম হয়ে ওঠে।