খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
![]() |
| প্রতীকী ছবিAI নির্মিত |
কেন এই বেনজির সিদ্ধান্ত?
সূত্রের খবর, পশ্চিম এশিয়ায় চলা সংঘাতের জেরে দেশে রান্নার গ্যাসের ঘাটতি হতে পারে— এমন একটি আতঙ্ক সাধারণ মানুষের মনে দানা বাঁধছে। এই পরিস্থিতিতে যাতে 'প্যানিক বায়িং' (Panic Buying) বা অতিরিক্ত গ্যাস মজুত করার হিড়িক না পড়ে এবং গুজবের জেরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে গোডাউন
এদিন দিল্লি পুলিশের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত জরুরি অবস্থা ছাড়া কোনও পুলিশকর্মীর ছুটি মঞ্জুর করা হবে না। জানা গিয়েছে, রাজধানীর প্রতিটি জেলার ডিসিপি-দের (DCP) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নিজ নিজ এলাকার LPG Godown গুলি চিহ্নিত করতে। সেখানে ২৪ ঘণ্টার জন্য সশস্ত্র পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মূলত মজুতদারি ঠেকানো এবং লুটপাটের মতো অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতেই এই কড়া পাহারা। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো প্রকার গুজব ছড়াচ্ছে কি না, সেদিকেও কড়া নজর রাখছে স্পেশাল সেল।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কড়া নির্দেশিকা
গতকালই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (MHA) তরফে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে একটি বিশেষ চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে রান্নার গ্যাসের সরবরাহ শৃঙ্খল এবং পরিবহণ ব্যবস্থার নিরাপত্তা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, প্রতিদিন স্থানীয় গ্যাসের স্টক পরীক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যগুলিকে। জানানো হয়েছে, কেউ যদি সরবরাহ ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের উদ্বেগ কমাতে তেল বিপণন সংস্থাগুলির (OMCs) সঙ্গে মিলে সচেতনতামূলক প্রচারও শুরু করছে সরকার।
