খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
খবর বঙ্গ: ২০২৬ সালের নির্বাচনকে (Election 2026) অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন। জানা গিয়েছে, ভোটের দু’দিন আগে থেকেই সমস্ত সিভিক ভলেন্টিয়ারদের (Civic Volunteers) ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং প্রভাবমুক্ত রাখতেই এই কড়া পদক্ষেপ বলে সূত্রের খবর।
এদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভোটগ্রহণের দিনগুলিতে কোনও প্রকার বিতর্ক এড়াতে সিভিক ভলেন্টিয়ারদের ডিউটি থেকে দূরে রাখা হচ্ছে। একইসঙ্গে জেলাজুড়ে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে প্রায় ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) মোতায়েন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এরিয়া ডমিনেশন ও রুট মার্চ।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, কোনওভাবেই ছাপ্পা ভোট বা কারচুপি বরদাস্ত করা হবে না। সূত্রের খবর, যদি কোনও ভোটারকে বুথে যেতে বাধা দেওয়া হয়, তবে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে বাহিনী। এমনকি কোনও সরকারি কর্মী যদি ভোট প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সম্পন্ন হয়। সেখানে স্থির হয়েছে:
Sensitive Booths: স্পর্শকাতর ও অতিস্পর্শকাতর বুথগুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও কিউআরটি (Quick Response Team) মোতায়েন থাকবে।
Webcasting: নজরদারি জোরদার করতে বুথগুলিতে ওয়েবকাস্টিং ও সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা থাকছে।
Border Security: সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে কড়াকড়ি বাড়ানো হচ্ছে এবং প্রয়োজনে সীমানা সিল করে দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে এবং শারীরিকভাবে অক্ষম ভোটারদের জন্য হোম ভোটিং (Home Voting) বা বাড়িতে গিয়ে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও নারী শক্তিকে প্রাধান্য দিতে জেলাজুড়ে এক হাজারেরও বেশি মহিলা পরিচালিত বুথ (Pink Booths) তৈরি করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, ২০২৬-এর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের এই শক্ত অবস্থান সাধারণ ভোটারদের মনে কতটা ভরসা জোগাবে, সেটাই এখন দেখার।
