খবরটি শুনুন
অডিও সংস্করণ
মালদহের কালিয়াচকে বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনায় অবশেষে বড় সাফল্য পেল রাজ্য পুলিশ ও সিআইডি। শুক্রবার বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মূল অভিযুক্ত তথা মিম (AIMIM) নেতা আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলামকে (Mofakkerul Islam Arrest)। এই ঘটনা নিয়ে যখন এনআইএ (NIA Investigation) তদন্তের তোড়জোড় শুরু হয়েছে, ঠিক তখনই দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুরের নির্বাচনী জনসভা থেকে রাজ্য পুলিশের তৎপরতার কথা তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন হরিরামপুরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, কেন্দ্রীয় এজেন্সি আসার আগেই রাজ্য পুলিশ অপরাধীকে ধরে ফেলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়:
"মালদহের মোথাবাড়িতে যে ঘটনা ঘটিয়েছে, তাকে কে গ্রেপ্তার করেছে জানেন? এই রাজ্যের সিআইডি। সে মুম্বই থেকে ফিরছিল এবং বাগডোগরা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। এনআইএ আসার আগেই আমাদের পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।"
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাতেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর নির্বাচন কমিশন এই মামলার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। তবে এদিন সকালেই শিলিগুড়ি পুলিশ ও সিআইডি-র যৌথ অভিযানে বাগডোগরা থেকে মোফাক্কেরুলকে পাকড়াও করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী এবং এডিজি উত্তরবঙ্গ উভয়েই দাবি করেছেন, এই সাফল্য সম্পূর্ণভাবে রাজ্য প্রশাসনের।
জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম মুম্বই থেকে ফিরে বাগডোগরা হয়ে পালানোর ছক কষেছিল। তবে পুলিশের জালে শেষরক্ষা হয়নি। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের মুখে এনআইএ তদন্ত শুরু হওয়ার আগেই গ্রেপ্তারির মাধ্যমে নবান্ন বুঝিয়ে দিল যে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাজ্য পুলিশই যথেষ্ট সক্ষম। গতকাল থেকে এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে ছিল। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অপরাধী যেই হোক, কাউকেই রেয়াত করা হবে না। এখন দেখার, রাজ্য পুলিশের এই তড়িৎ পদক্ষেপের পর এনআইএ তদন্ত কোন পথে এগোয়।
