বিধানসভা ভোটের আগে বাইক চলাচলে জারি কড়া বিধিনিষেধ, নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের - Khabar Banga | খবর বঙ্গ! - Breaking News! Latest News in Bengali! Today News Jalpaiguri! বিধানসভা ভোটের আগে বাইক চলাচলে জারি কড়া বিধিনিষেধ, নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের

বিধানসভা ভোটের আগে বাইক চলাচলে জারি কড়া বিধিনিষেধ, নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের

Tuesday, April 21, 2026
..
🎙️
খবরটি শুনুন অডিও সংস্করণ
WB Election 2026, Bike Restrictions, Election Commission of India, ECI Update, WB News, Pillion Rider, West Bengal Assembly Election.
খবর বঙ্গ ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (WB Election 2026) প্রথম দফার ভোটের ঠিক দু’দিন আগে বাইক চলাচলের ওপর একগুচ্ছ কঠোর বিধিনিষেধ (Bike Restrictions) জারি করল নির্বাচন কমিশন (ECI)। মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিন সংবাদপত্র ও বৈদ্যুতিন মাধ্যমে এই নির্দেশিকা ব্যাপকভাবে প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​সূত্রের খবর, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে বাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মগুলি কার্যকর হবে। জানা গিয়েছে, ভোটের দু’দিন আগে থেকে কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী বাইক মিছিল করতে পারবেন না। তবে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দিনের বেলা অর্থাৎ সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইক চললেও, চালকের পিছনে কোনো যাত্রী বা ‘পিলিয়ন রাইডার’ (Pillion Rider) বসা যাবে না। মূলত বাইক ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করা বা এলাকায় অশান্তি ছড়ানো রুখতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

​তবে সাধারণ মানুষের হয়রানি এড়াতে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। জানা যায়, ভোটের দিন শুধুমাত্র ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে বা কোনো জরুরি প্রয়োজনে বাইক নিয়ে বের হওয়া যাবে। চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা, শিশুদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া-আসা কিংবা পারিবারিক কোনো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কাজে এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ হবে না। এছাড়া আগে থেকে নির্ধারিত সামাজিক বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও ছাড় মিলবে।

​কমিশন জানিয়েছে, এই কারণগুলি ছাড়া অন্য কোনো বিশেষ প্রয়োজনে যদি কেউ বাইক ব্যবহারের ছাড় চান, তবে তাঁকে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় থানার কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। অনুমতিপত্র ছাড়া রাস্তায় বের হলে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এদিন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) জানিয়েছেন, নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং কোনো রকম বিশৃঙ্খলা রুখতে পুলিশ ও প্রশাসনকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।