মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার মায়াপুর ইস্কন মন্দিরে শুভেন্দু অধিকারী। গোমাতার পুজো, যজ্ঞ এবং সাধুসন্তদের সঙ্গে তাঁর এই তাৎপর...

জানা গিয়েছে, ইস্কন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে তাঁকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েই এদিন সকালে হাওড়ার ডুমুরজলা থেকে একটি হেলিকপ্টারে চেপে তিনি রওনা দেন। সকাল ঠিক ১১টা নাগাদ মায়াপুরের হেলিপ্যাডে তাঁর কপ্টারটি অবতরণ করে।
গন্তব্যে পা রাখার পরই রীতি মেনে উপস্থিত সাধুসন্তদের সঙ্গে তিনি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেখান থেকে সোজা ইস্কনের গোশালায় পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে গোমাতার বিশেষ পুজো করার পাশাপাশি নিজের হাতে খাবারও খাওয়ান তিনি। গোশালার কাজ সেরে তিনি মায়াপুরের মূল আকর্ষণ চন্দ্রোদয় মন্দিরে প্রবেশ করেন। সেখানে বিশেষ পুজো এবং যজ্ঞে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি মন্দির চত্বরে সাধুসন্তদের সঙ্গে তাঁর একটি বৈঠকের কর্মসূচিও নির্ধারিত ছিল।
ভিভিআইপি সফর ঘিরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মায়াপুর এলাকায় নিরাপত্তার কড়াকড়ি চোখে পড়ে। মন্দির প্রাঙ্গণে সাজ সাজ রব দেখা যায় এবং ইস্কন ভক্তরা কীর্তনের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর এই আধ্যাত্মিক সফরের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। উল্লেখ্য, বিগত ফেব্রুয়ারি মাসে বিধানসভা ভোটের আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) যখন মায়াপুর সফরে এসে ইস্কনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন, তখন তাঁর সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীও উপস্থিত ছিলেন। ফলত, এই সফরের রাজনৈতিক গুরুত্ব কোনোভাবেই অস্বীকার করার উপায় নেই।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই গত ২১ মে বেলুড় মঠে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে মহারাজদের সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ অনুসরণ করে আধ্যাত্মিকতা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার প্রসারের বিষয়ে তিনি জোর দিয়েছিলেন। বেলুড় মঠের পর এবার মায়াপুর ইস্কনে মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর এবং তাঁর পরবর্তী বার্তা কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে গোটা রাজ্যের।
Advertisement