সেশলসের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পেলেন 'গার্ডিয়েন অফ দ্য ব্লু হরাইজন' খেতাব

June 28, 2026
Reading...
তিন দিনের সফরে সেশলসে গিয়ে 'গার্ডিয়েন অফ দ্য ব্লু হরাইজন' সম্মানে ভূষিত হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারত-সেশলস দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও সমুদ্র অর্থনীত
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রাপ্ত সম্মানের ঝুলিতে যোগ হলো আরও একটি আন্তর্জাতিক পদক। জানা গিয়েছে, সেশলসের তরফ থেকে তাঁকে 'গার্ডিয়েন অফ দ্য ব্লু হরাইজন' (Guardian of the Blue Horizon) নামক বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করেছেন সেদেশের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হার্মাইন। উল্লেখ্য, এর পূর্বেও ফিজি, বাহরাইন, স্লোভাকিয়া, ফ্রান্স, রাশিয়া, গ্রিস, মিশর, সৌদি আরব, মালদ্বীপ, পাপুয়া নিউ গিনি এবং ভুটানের মতো একাধিক রাষ্ট্র তাদের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মানিত করেছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো সেশলসের নাম।

এই বিশেষ সম্মাননা পাওয়ার পর সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে সেশলসের রাষ্ট্রপ্রধান, সেদেশের সরকার ও সাধারণ নাগরিকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নরেন্দ্র মোদি। পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে এবং আবহাওয়া পরিবর্তনের মোকাবিলায় যে দেশগুলি নিজেদের দায়িত্ব মনে করে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করছে, তাদের উদ্দেশ্যেই এই পদকটি উৎসর্গ করেছেন তিনি। পাশাপাশি, আগামী প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির ডাকও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি মনে করেন, পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখতে বিশ্বের সমস্ত দেশকেই একজোট হয়ে কাজ করা উচিত।

জানা গিয়েছে, তিন দিনের সফরে শনিবার সেশলসে গিয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এরপর রবিবার প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হার্মাইনের পৌরহিত্যে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দেশের তরুণ সমাজকে নৌ-সেনায় যোগ দিতে উৎসাহ দেওয়ার জন্য সমুদ্রকে 'আত্মউন্নয়নের এক বিরাট অবকাশ' (Ocean of Opportunity) হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। সেই সূত্র ধরেই সেশলসের মাটি থেকে ভারত মহাসাগরকেও উন্নয়নের এক বিশাল সুযোগ হিসেবে গড়ে তোলার বিশেষ বার্তা দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

এদিন সামুদ্রিক অর্থনীতিতে জোয়ার আনার পাশাপাশি ভারত মহাসাগরের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি। ভারতের কাছে ভারত মহাসাগরের সম্পর্ক ঠিক যেন এক নিকট আত্মীয়ের মতো, তাই এর দীর্ঘস্থায়ীত্ব, সমৃদ্ধি এবং নিরাপত্তার দায়িত্বও ভারতের কাঁধেই বর্তায় বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক পারস্পরিক সমঝোতা, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখে কীভাবে উন্নয়নের শরিক হওয়া যায়, সেই বিষয়েও গভীরভাবে আলোচনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, "আমরা দুদেশের শিল্প-সম্ভাবনা নিয়ে আগামিদিনেও চর্চা চালিয়ে যাব ৷ ভারত এবং শেসলসের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও নিবিড় করা নিয়েও আলোচনা হয়েছে ৷"
Advertisement