অন্নপূর্ণার ফর্ম জমা দিয়েও মিলছে না টাকা, বিক্ষোভে সামিল মহিলারা!

July 02, 2026
Reading...
হাওড়ার ডোমজুড়ে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা না পাওয়ায় বেগড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে মহিলাদের তুমুল বিক্ষোভ। আবেদন করেও কেন অ্যাকাউন্টে টাকা...
হাওড়ার (Howrah) ডোমজুড় এলাকার বেগড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার' প্রকল্পের টাকা না ঢোকায় তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন মহিলারা। বৃহস্পতিবার দুপুরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পঞ্চায়েত কার্যালয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তাঁরা। অভিযোগকারীদের দাবি, যাবতীয় নথিপত্র-সহ ফর্ম জমা দেওয়া সত্ত্বেও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এখনও পর্যন্ত কোনও অর্থ এসে পৌঁছয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মাসের শুরুর দিকেই অফলাইন পদ্ধতিতে 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার' (Annapurna Bhandar Scheme)-এর জন্য আবেদন করেছিলেন উপভোক্তারা। বেগড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে সেই ফর্ম জমা দেওয়ার পর আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে, যাচাই পর্ব বা ভেরিফিকেশন মিটলেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা ঢুকে যাবে। তবে এক মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও টাকা না মেলায় এদিন চরম ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে দলে দলে মহিলারা পঞ্চায়েত অফিসে হাজির হয়ে প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন। তাঁদের অভিযোগ, বারংবার পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হলেও কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি। এর ফলে বাধ্য হয়েই তাঁরা এই বিক্ষোভের পথ বেছে নেন, যার জেরে পঞ্চায়েত চত্বরে রীতিমতো উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

বিক্ষোভরত মহিলাদের দাবি, যাবতীয় নিয়মবিধি মেনেই তাঁরা প্রকল্পের আবেদন সম্পন্ন করেছিলেন। তা সত্ত্বেও কেন তাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও জবাব মিলছে না।

এক আন্দোলনকারী মহিলা জানান, সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অফিসে গিয়ে জমা করা হয়েছে। এক মাস কেটে গেলেও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোনও টাকা জমা পড়েনি। বারবার খোঁজ নিলেও কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও পরিষ্কার উত্তর দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর মতে, এই ধরনের চূড়ান্ত অব্যবস্থার কারণে সাধারণ মানুষের কাঁধে অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা চাপছে।

পাশাপাশি, অপর এক বিক্ষোভকারী স্পষ্ট জানান, গ্রামের নিম্নবিত্ত পরিবারগুলির কাছে এই অর্থ অত্যন্ত জরুরি এবং অনেকেই এই প্রকল্পের ওপর নির্ভরশীল। তাই টাকা হাতে না আসায় দৈনন্দিন জীবনযাপনে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাঁদের।
Advertisement