পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর ছক, বারুইপুরে পালটা গুলিতে খতম ধৃত অভিযুক্ত

July 08, 2026
Reading...
বারুইপুরে ১২ বছরের নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় বড়সড় মোড়। পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হল অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের।
বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় এবার চাঞ্চল্যকর মোড়। পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাত ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। জানা গিয়েছে, এর আগে এই পৈশাচিক ঘটনায় আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দার এবং প্রভাস মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সূত্রের খবর, ১২ বছরের ওই নাবালিকাকে নৃশংসভাবে যৌন নির্যাতন করে বস্তায় ভরে জলে ফেলে দেওয়ার কথা প্রথম স্বীকার করেছিল এই প্রভাস। এরপর এদিন রাতে বারুইপুর থানার পুলিশ তাকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে ঘটনাস্থলে যায়।

পুলিশ সূত্রে দাবি, ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত প্রভাস নিজের অপরাধের কথা বারবার অস্বীকার করতে থাকে। এরপর আচমকাই সে পুলিশের হাত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। সূত্রের দাবি, পালানোর সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে অভিযুক্ত এক রাউন্ড গুলিও চালায়। বাধ্য হয়ে পুলিশ পালটা গুলি চালালে গুরুতর জখম হয় প্রভাস। তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করার পর মৃত বলে ঘোষণা করেন।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, এই ঘটনার তদন্তে নেমে স্থানীয় একটি দোকানের সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ পুলিশের হাতে এসেছে। যেখানে দেখা গিয়েছে, মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে ধৃত প্রভাস মণ্ডল একাধিকবার ওই রাস্তায় যাতায়াত করছে। প্রথম ফুটেজে ধরা পড়েছে, জয়নগরের দিক থেকে বারুইপুরের দিকে এক ব্যক্তির সঙ্গে যাচ্ছে সে। ঠিক ১ মিনিট পর রাস্তার উলটো দিকের ফুটপাত ধরে ১২ বছরের ওই নাবালিকাকে অনুসরণ করে বারুইপুর থেকে জয়নগরের দিকে যেতে দেখা যায় তাকে। এর ঠিক পরের মুহূর্তেই নাবালিকার সঙ্গে হেঁটে ফিরতে দেখা গিয়েছে অভিযুক্ত প্রভাসকে।
এছাড়াও জানা গিয়েছে, এই ঘটনার জেরে গণপিটুনি ও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগে এখনও পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
Advertisement